নজরবন্দি ব্যুরোঃ কসবায় দুষ্কৃতী তাণ্ডব। এক ব্যক্তির বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ। কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের বাড়ির মালিকের। পুলিশকে ব্যবস্থা নেওয়ার বেদন জানিয়েছেন ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লিপিকা মান্নার। অভিযোগকারী সক্রিয় তৃণমূল কর্মী বলে জানিয়েছেন কাউন্সিলর। অন্যদিকে, পাল্টা সুর চড়িয়েছেন ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। তার অভিযোগ, শ্লীলতাহানির অভিযোগে ওই তৃণমূল নেতাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ উঠতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Wriddhiman Saha: চলতি মাসেই CAB থেকে NOC নেবেন ঋদ্ধি


অভিযোগ, প্রথমে পাঁচজনের একটি দল এসে হুমকি দিয়ে যায়। পরে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল বাইরে থেকে পাথর ছোঁড়ে। এমনকি কাঁচের বোতল ছোঁড়া হয়েছে। বাড়ির মালিক বাপি দেবের অভিযোগ, গত তিন বছর ধরেই সুধান্ত ঘোষের লোকেরা নানাভাবে তাণ্ডব চালাচ্ছে। মাঝে মধ্যেই রাস্তায় অকথ্য গালিগালাজ করে তিনি। তিনি বলেন, এক সময় দুই জনের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকলেও সুশান্ত ঘোষের ব্যবহারের কারণে সরে আসেন। অভিযোগ, গতকাল রাতে পেটিতে করে বিয়ারের বোতল এনে ভাংচুর চালানো হয়েছিল। ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কে রয়েছে ওই ব্যক্তি এবং তাঁর পরিবার।

১০৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর লিপিকা মান্না জানিয়েছেন, আমি নিজে গিয়ে ঘটনাটি দেখে এসেছি। কাঁচ পাথর ছুঁড়ে সমস্ত কিছু লণ্ডভণ্ড করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি বাড়ির মালিকের স্ত্রী বারবার নিরাপত্তা চাইছিল। আমাকে ফোন করা হয়েছিল। পুলিশকে আমি জানিয়েছি। পুলিশ গিয়েছিল। গোটা বিষয়টিতে প্রশাসনের ওপর নির্ভরশীল। কারণ, প্রশাসনকেই দেখতে হবে। যেটা হয়েছে সেটা ঠিক হয়নি। একইসঙ্গে তিনি দাবী করেছেন, ওই ব্যক্তি তৃণমূল কর্মী। আমি নতুন কাউন্সিলর তাই কারা হামলা চালাল তাঁদেরকে আমি দেখিনি।


তোলাবাজি করত বাপি দেব। তাই তাঁকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শ্লীলতাহানির ঘটনায় এই ঘটনা ঘটতে পারে। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করব, পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে যারা দোষী তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হোক। তোলাবাজি সহ একাধিক দুর্নীতিতে জড়িত ওই ব্যক্তি। আমি নিযে জানি ওনার বিরুদ্ধে এক মহিলার অভিযোগ রয়েছে। কাউন্সিলর যে বলছেন, ওনার পুরসভার সময় ওই ব্যক্তি দলের হয়ে কাজ করেনি।
কসবায় দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আতঙ্ক কসবায়

পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুষ্কৃতীদের তল্লাশি শুরু হয়েছে।







