Wriddhiman Saha: চলতি মাসেই CAB থেকে NOC নেবেন ঋদ্ধি

চলতি মাসেই CAB থেকে NOC নেবেন ঋদ্ধি

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সব ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসের মাঝামাঝিতে সিএবি থেকে এনআরসি নিয়ে নেবেন ঋদ্ধিমান সাহা । অন্তত সেই রকমই খবর সিএবি কর তাদের কাছে । আগামীকাল পরিবার নিয়ে বেড়াতে যাচ্ছেন ঋদ্ধি । ফিরে এসে সিএবি তে যাবেন ঋদ্ধি । বেশ কিছুদিন ধরেই ঋদ্ধিমান সাহা এবং বাংলার ক্রিকেট কর্তাদের মধ্যে চলছে সমস্যা । সেই সমস্যার কারণেই ঋদ্ধিমান সাহা বাংলার ক্রিকেট থেকে অবসর নিতে চেয়েছেন ।

আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর পুরস্কার প্রাপ্তিকে কটাক্ষ! ফের রোদ্দুর রায়ের বিরুদ্ধে FIR

এরপর থেকেই ক্রিকেটপ্রেমীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় বারবার একটাই অনুরোধ করেছে কোনভাবেই যাতে ঋদ্ধি বাংলা না ছাড়েন । কিন্তু সমস্যা হল বঙ্গ ক্রিকেটপ্রেমীরা যতই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ুন না কেন, সিএবি কর্তারা ঋদ্ধিকে আটকানোর ব্যাপারে কতটা আন্তরিক তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এটা ঠিক যে সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া বাংলা না ছাড়ার জন্য ঋদ্ধিকে অনুরোধ করেছিলেন।

4 3

একইভাবে ঋদ্ধিও পালটা অনুরোধ করেছিলেন। ঋদ্ধি বলেছিলেন, তাঁর দায়বদ্ধতা নিয়ে যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাস প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছিলেন, সেটা তাঁকে প্রচণ্ড আঘাত করে। তাই এটা নিয়ে যেন সিএবি কিছু ভাবনা-চিন্তা করে। কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছেন যে যুগ্ম সচিব যা বলেছিলেন, সেটা তাঁর ব্যক্তিগত মতামত। সিএবির তরফ থেকে বলা হচ্ছে, সংস্থার প্রেসিডেন্টই সংস্থার সর্বোচ্চ কর্তা।

5 3
চলতি মাসেই CAB থেকে NOC নেবেন ঋদ্ধি

তাই তিনি যেখানে অনুরোধ করেছেন, তখন ঋদ্ধির খেলা উচিত ছিল। প্রেসিডেন্টের চেয়ারকে সম্মান জানানো উচিত ছিল।অপরদিকে ঋদ্ধিমান সাহার হয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন । প্রেসিডেন্ট যদি শিবির শেষকথা হন তাহলে যুগ্ম সচিবের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিলেন না কেন ? কেন বাংলার ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হলো না যুগ্ম সচিবের বক্তব্য শিবির বক্তব্য নয় সিএবি তা সমর্থন করে না ।

7 3

তার মানে কি সিএবি কর্তারা প্রকাশ্যে কোনো কথা বলতে পারেন । কিন্তু ক্রিকেটাররা পারেন না । অপরদিকে রঞ্জি কোয়ার্টার-ফাইনালে মোহাম্মদ সামি কে ফোন করা হলো কিন্তু ঋত্বিক কে ফোন করা হলো না কেন । এই নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে । ঋদ্ধি যদি এনওসি নিয়ে বাংলা ছেড়ে দেন তাহলে সেটা বাংলার ক্রিকেটের ক্ষেত্রে খুব লজ্জার ঘটনা হবে ।

চলতি মাসেই CAB থেকে NOC নেবেন ঋদ্ধি

সে কথা বুঝতে পেরেই তাকে রাখার একটা সামান্য চেষ্টা হয়েছিল । কিন্তু ঋদ্ধি তার সিদ্ধান্ত থেকে পেছনে সরেননি । এটা নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে সিএবি-র । সবকিছু মিলিয়ে এখন যা অবস্থা তাতে করে বাংলা ছাড়ছেন ঋদ্ধিমান সাহা । যা বাংলার ক্রিকেটে যথেষ্ট অপ্রীতিকর একটা ঘটনা বলে মনে করছেন অনেকেই।