নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যের ৫ বিধায়কশূন্য বিধানসভায় ছয় মাসের মধ্যে ফের হতে চলেছে নির্বাচন। আরও তিন রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সাথেই এরাজ্যেও মিটেছে বিধানসভা নির্বাচন। বিপুল জয় পেয়ে রাজ্যে তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফিরেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। এদিকে করোনা পরিস্থিতি প্রভাব ফেলেছে এ রাজ্যের নিরবাচনেও। রাজ্যে মোট বিধানসভা আসনের সংখ্যা ২৯৪ টি।
আরও পড়ুনঃ অনূর্ধ্ব ১৮ দের উপর এবার কোভ্যাক্সিনের ট্রায়ালের ছাড়পত্র দিল ডিসিজিআই।


যার মধ্যে ২০০র বেশী আসন পেয়ে ক্ষমতা দখল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এই ২৯৪ টি আসনের মধ্যে নির্বাচন হয়েছিল ২৯২ টি আসনে। কারণ সেই করোনা। ভোটের ঠিক আগে মুর্শিদাবাদ জেলার দুই বিধানসভা কেন্দ্র সামসেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুর দুই এলাকার একজন করে প্রার্থী করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারান। তারপরেই ওই দুই কেন্দ্রের নির্বাচন স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন কমিশন। এছাড়াও খড়দা বিধানসভা কেন্দ্রে জয়লাভ করেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কাজল সিনহা। তবে ভোটের পরেই অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি।
ফলে ওই আসনের বিধায়ক পদ আপাতত শূন্য। এদিকে লোকসভার সাংসদ হওয়ার পরেও এবারের বিধানসভা নির্বাচনে দাঁড়ান বিজেপির নিশীথ প্রামানিক ও জগন্নাথ সরকার। তাঁরা যথাক্রমে দিনহাটা ও শান্তিপুর কেন্দ্র থেকে জয়ীও হন। তবে একসাথে সাংসদ ও বিধায়ক পদে থাকা যায় না। তাই শেষ পর্যন্ত দুজনেই নিজেদের বিধানসভায় জয়ী আসন ছেড়ে সাংসদ থাকার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে ওই দুটি আসনে করা হবে উপ নির্বাচন। সবমিলিয়ে মোট পাঁচ কেন্দ্রে খালি বিধায়কের পদ।
রাজ্যের ৫ বিধায়কশূন্য বিধানসভায় ছয় মাসের মধ্যে ফের হতে চলেছে নির্বাচন। এই অবস্থায় কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী আগামী ছয় মাসের মধ্যে ওই কেন্দ্রগুলিতে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তবে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে এব্যাপারে এখনও কিছু জানানো হয়নি। তবে ইতিমধ্যেই তাঁদের জেতা দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজ্য বিজেপি।









