নজরবন্দি ব্যুরো: গত বুধবার অষ্টমীর রাতে বাংলাদেশের একাধিক পুজো মণ্ডপে তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা। ভেঙে দেওয়া হয় পুজো মণ্ডপ ভাঙ্গা হয় প্রতিমা। এই ঘটনার পর থেকেই উত্তাল বাংলাদেশ । এই ঘটনায় দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই সঙ্গে কড়া বার্তাও দিয়েছেন তিনি। হাসিনা বলেছেন, যাঁরা এই ধরনের ঘটনা ঘটাবে তাঁদেরকে আমরা খুঁজে বার করবই। এটা প্রযুক্তির যুগ। অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযোগ্য ব্যস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুনঃট্রেনের টিকিট পাননি সমস্যা নেই, উত্তরবঙ্গে বেড়ানোর জন্য রাজ্য পরিবহণ নিগমের বিশেষ ব্যবস্থা
এবার বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সেই কথার সুর এই সুর মেলালেন সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করাই ছিল হামলাকারীদের উদ্দেশ্য। এর নেপথ্যে কারও কায়েমি স্বার্থ বলেই মনে করছে বাংলাদেশ সরকার”। তিনি আরো বলেন, “প্রমাণ মিললেই তা প্রকাশ্যে আনা হবে।
দোষীদের দৃষ্টান্তমূবলক শাস্তি দেওয়া হবে”। উল্লেখ্য বাংলাদেশের এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই প্রায় ৪০০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১০০ জনের বেশি। এই ঘটনায় বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাফ বার্তা, যারা এই ধরনের অপচেষ্টা করছেন বা অপচেষ্টা করে চলেছেন তাঁদেরকেও চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
বাংলাদেশের পূজামণ্ডপে হামলা পূর্ব পরিকল্পিত ঘটনা, দাবি সেদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বর্তমানে ধরপাকড় জারি রয়েছে গোটা বাংলাদেশে। এমনকি এই ঘটনার প্রভাব পড়েছে বাংলার রাজনৈতিক মহলেও। এই ঘটনার নিন্দা করেছে তৃণমূল। আজ এবং আগামীকাল রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে রাজ্যের সমস্ত জেলায় প্রতিবাদ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।




