দেশে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে সংক্রমণ,সেপ্টেম্বরে আক্রান্তের শীর্ষে পৌঁছবে দেশ।

দেশে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে সংক্রমণ,সেপ্টেম্বরে আক্রান্তের শীর্ষে পৌঁছবে দেশ।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ আনলক শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই রেকর্ড হারে সংক্রমণ হয়েছে ভারতে। কিন্তু এবার সেই বৃদ্ধির হার একেবারে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে COVID-19 আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৩৯ হাজার মানুষ। যার জেরে মোট সংক্রমণ পৌঁছে গিয়েছে পৌনে এগারো লক্ষে।আজ ১৯ জুলাই রবিবার সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১০,৭৭,৬১৮ জন। এখনও পর্যন্ত কোভিড-১৯ সংক্রমণে দেশে মৃত্যু হয়েছে ২৬,৮১৬ জনের।

আরও পড়ুনঃ কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু বলছে IMA,শীতে আসতে পারে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা, বলছেন ভাইরোলজিস্টরা

সংক্রমণ সারিয়ে এ যাবত্‍ সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬,৭৭,৪২৩ জন। ভারতে এখন অ্যাকটিভ কেস ৩,৭৩,৩৭৯। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮,৯০২ জন। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৫৪৩ জনের। আর সুস্থ হয়েছেন ২৩,৬৭২ জন। দেশে এখন সুস্থতার হার ৬২.৮৬ শতাংশ। আর মৃত্যুহার ২.৪৯ শতাংশ।এখনও পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩,০০,৯৩৭ জন। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ১১,৫৯৬ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১,৬৫,৬৬৩ জন। মহারাষ্ট্রে এখন অ্যাকটিভ কেস ১,২৩,৬৭৮। ভারতের কোভিড পরিসংখ্যানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তামিলনাড়ু।

দক্ষিণের এই রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১,৬৫,৭১৪ জন। কোভিড-১৯ সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ২৪০৩ জনের। সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১,১৩,৮৫৬ জন। তামিলনাড়ুতে এখন অ্যাকটিভ কেস ৪৯,৪৫৫। তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাজধানী শহর দিল্লি। এখানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা মোট ১,২১,৫৮২। সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ৩৫৯৭ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১,০১,২৭৪ জন। দিল্লিতে অ্যাকটিভ কেস ১৬,৭১১। চতুর্থ স্থানে রয়েছে গুজরাত। পশ্চিমের এই রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭,৩৯০। কোভিড-১৯ সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ২১২২ জনের। সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৪,০৩৫ জন। গুজরাতে অ্যাকটিভ কেস ১১,২৩৩। অন্যদিকে একটি সমীক্ষার বক্তব্য, প্রতিদিন যেভাবে লাগামছাড়া আক্রান্তের সংখ্যা হু-হু করে বেড়ে চলেছে তাতে ভবিষ্যত্‍ এর জন্য আরও বড় অশনি সংকেত বয়ে আনবে এই ভাইরাস।

 এমনটাই জানাচ্ছেন গবেষক মণ্ডলীরা। শুধুতাই নয় আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে ভারত করোনা আক্রান্তের শীর্ষে পৌঁছে যাবে।এই বিষয়ে ভারতীয় জনস্বাস্থ্য বিভাগের প্রেসিডেন্ট তথা আইসিএমআর‘এর কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কে. শ্রীনাথ রেড্ডি জানিয়েছেন, প্রতিদিন যেভাবে দেশে করোনার জীবাণু ছড়াচ্ছে তাতে সরকার যদি আরও কড়া পদক্ষেপ গ্রহন না করে তাহলে ফল আরও ভয়ানক হবে। শুধু সরকারই নয় করোনা সম্পর্কে সাধারণ মানুষজনকে হতে হবে আরও সচেতন মানতে হবে সরকারি নিষেধাজ্ঞা তবেই কিছুটা হলেও রোধ করা যাবে করোনার প্রকোপ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *