কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু বলছে IMA,শীতে আসতে পারে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা, বলছেন ভাইরোলজিস্টরা

কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু বলছে IMA,শীতে আসতে পারে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা, বলছেন ভাইরোলজিস্টরা

নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তাতে দেশ জুড়ে শুধুই আতঙ্ক। ইতিমধ্যেই ১০ লক্ষ পেরিয়ে গিয়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। এরই মধ্যে আরও উদ্বেগের খবর শোনাল ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন।শুক্রবার তারা জানিয়েছে, ভারতে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়ে গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যে আজ ২১৯৮ জন আক্রান্ত! শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা প্রশাসনের।https://najarbandi.in/corona-virus-bulletin-on-18-th-july-2020-west-bengal/

পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়। আইএমএ হসপিটাল বোর্ড অফ ইন্ডিয়ারে চেয়ারপার্সন ড. ভিকে মংগা বলেন, ‘বর্তমানে সংক্রমণ ক্রমশ ব্যাপক হারে বেড়ে চলেছে।’তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেক দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩০,০০০ করে বাড়ছে। এটা সত্যই খুব খারাপ পরিস্থিতি। গ্রামাঞ্চলে করোনা ছড়াতে শুরু করেছে। এটা খারাপ লক্ষণ। কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়ে গিয়েছে।’ একদিকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক দাবি করেছে যে ভারতে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়নি। এরই মধ্যে আইএমএ-র এই বিবৃতি খুবই তাত্‍পর্যপূর্ণ।

অপর দিকে  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভাইরোলজিস্ট ক্লজ স্টর বলেছেন নতুন করোনা অর্থাত্‍ নভেল করোনাভাইরাসও সার্সের মতোই। ২০০৩ সালে যে সার্স ভাইরাস মানুষের শরীরে সংক্রামিত হয়েছিল সেই ভাইরাসই ফের জিনের গঠন বিন্যাস বদলে ফিরে এসেছে এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। গবেষকের বক্তব্য, শীত আসছে। এই সময় করোনাভাইরাসের ‘সেকেন্ড ওয়েভ’ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। শীতের সময় করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা আসতে পারে এমন সম্ভাবনার কথা আগেই বলেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ভাইরোলজিস্ট ক্লজ বলছেন, সার্স-কভ-২ ভাইরাসের চরিত্র আর পাঁচটা সাধারণ ভাইরাসের থেকে অনেকটাই আলাদা। খুব কমদিনের মধ্যেই যেভাবে গোটা ফুসফুসকে সংক্রামিত করে ফেলছে এই ভাইরাস, সেটা সাধারণ ফ্লু ভাইরাসের পক্ষে কোনওভাবেই সম্ভব নয়। তাছাড়া মানুষের শরীরে দ্রুত সংক্রমণ ছড়ানোর জন্য জিনের গঠন বদলে ফেলছে খুব দ্রুত।

নতুন ভাইরাল স্ট্রেন হয়ে উঠছে আরও বেশি সংক্রামক। ঠিক একই কথা বলেছেন ব্রিটেনের অ্যাকাডেমি অব মেডিক্যাল সয়েন্সের গবেষকরা।তারাও বলছেন, “শীতের সময়েই ভাইরাসের সংক্রমণ নতুন করে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হাসপাতাল-নার্সিংহোমগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে। আইসোলেশন বেডের সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভ্যাকসিন না আসা অবধি ফ্লু ভ্যাকসিন দেওয়া যেতে পারে হাই-রিস্ক গ্রুপে থাকা রোগীদের। এই ভ্যাকসিন সর্দি, কাশি বা ভাইরাল ফিভারের ঝুঁকি কমাবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x