নজরবন্দি ব্যুরো: কেন্দ্র কৃষক বিরোধ অব্যাহত, মন্ত্রকেই ছেঁড়া হল কৃষি আইনের প্রতিলিপি । কৃষি আইনে কৃষি বিল নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে পাঞ্জাব কৃষকদের সংঘাত চলছে বহুদিন ধরে. সেই বিরোধ মেটানোর জন্য এদিন কেন্দ্র এবং কৃষকদের মধ্যে একটি বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও কৃষকদের রােষের মুখে তা ভেস্তে যায়। পরেরাজধানীতে কৃষি মন্ত্রকের সামনেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন ক্ষুব্ধ কৃষক সংগঠনের সদস্যরা। যার জেরে ফের একবার কৃষি আইন নিয়ে মুখরক্ষা করতে ব্যর্থ হল কেন্দ্র।
আরও পড়ুনঃএবার কি রিয়া চক্রবর্তী ‘বিগ বস’-এ আসছেন? জল্পনা তুঙ্গে।


পাশাপাশি বৈঠক ভেস্তে যাওয়ায় অচলাবস্থা জারি থাকবে বলে আশঙ্কা।২৯টি কৃষক সংগঠনের প্রতিবাদ-বিক্ষোভ কৃষি আইনের বিরােধিতায় পঞ্জাবের ২৯টি কৃষক সংগঠনের প্রতিবাদ-বিক্ষোভ অব্যাহত।এই বিষয়ে কৃষকদের সঙ্গে আলােচনায় বসতে চায় কেন্দ্র। তাই সােমবার কৃষিমন্ত্রকের সেক্রেটরি সঞ্জয় আগরওয়াল আলােচনায় বসার জন্য এই কৃষক সংগঠনগুলিকে আহ্বান জানিয়েছিলেন।
কৃষি আইনের প্রতিলিপি ছিড়ে দেয় কৃষকরা সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে আজ দিল্লিতে কেন্দ্রের সঙ্গে আলােচনায় যােগ দিতে আসে ২৯টি কৃষক সংগঠন।তবে বৈঠকে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তােমার উপস্থিত না থাকায় বেজায় চটে যান কৃষক সংগঠনের সদস্যরা। তারা রাগের মাথায় বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান।পরে মন্ত্রকের সামনে দাঁড়িয়ে তারা কৃষি আইনেরপ্রতিলিপি ছিড়ে দেয় এবং স্লোগান তুলতে থাকেন।এর আগে সােমবার, পঞ্জাবের কৃষক সংগঠন কিষান মজদুর সংঘর্ষ কমিটি ১৪ অক্টোবরের আলােচনায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
তাছাড়া , অক্টোবর একটি আলােচনায় অংশ নিতে কেন্দ্রের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছিল কৃষক সংগঠন। তাদের তরফ থেকে জানানাে হয়েছিল রেল রােকো আন্দোলন চলবে। তাছাড়া, কৃষি আইন নিয়ে রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ অব্যাহত থাকবে বলেও জানানাে হয়েছিল।তবে ১৫ অক্টোবর বৈঠকে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে পরে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানানাে হয়েছিল।রেল রােকো কর্মসূচির পাশাপাশি চলছে রাস্তা অবরােধ কৃষি আইন বাতিল করার দাবি নিয়ে পঞ্জাবের কৃষকরা প্রতিবাদ-বিক্ষোভ জারি রেখেছে।


কেন্দ্র কৃষক বিরোধ অব্যাহত, মন্ত্রকেই ছেঁড়া হল কৃষি আইনের প্রতিলিপি ।রেল রােকো কর্মসূচির পাশাপাশি কৃষকরা রাস্তা, শপিংমল অবরােধ করেছে। তারা কয়েকজন বিজেপি নেতার বাড়ির বাইরে অবস্থান-বিক্ষোভ করেছিল। কৃষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে নতুন আইনগুলি নমূনতম সহায়ক মূল্য ব্যবস্থাকে ভেঙে দেবে। অবশ্য কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বারবার বলা হচ্ছে এই আইন কৃষকদের আয় বাড়াতে সাহায্য করবে এবং কৃষিক্ষেত্রে নতুন প্রযুক্তি আনবে.এখন কবে এই বিরোধ শেষ হয় সেদিকেই তাকিয়ে কৃষকমহল







