নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে আক্রান্ত বহু কর্মী, দিকে দিকে তৃণমূলের কাছে বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা আক্রান্ত হচ্ছেন, মুখ্যমন্ত্রীর শপথের দিনেই রাজ্যে ধর্ণায় বসেছিলো বঙ্গ বিজেপি। উপস্থিত ছিলেন জে.পি.নাড্ডা। রাজ্য জুড়ে হিংসার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছিলো বিজেপির তরফ থেকে। ইতিমধ্যে স্বরাস্ট্রমন্ত্রকের থেকে হিংসার রিপোর্ট চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ক্ষমতায় আসেনি BJP, মমতার দেওয়া চাকরি নিতে প্রস্তুত আনন্দ বর্মনের পরিবার


মমতার তৃতীয় বার মুখ্যমন্ত্রীর শপথের ২৪ ঘন্টা কাটার আগে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছে স্বরাস্ট্রমন্ত্রকের গড়া ৪ জনের একটি তদন্তকারী দল। গত এক মাস ধরে বাংলা জুড়ে চলেছে ২১ এর বিধানসভা নির্বাচন। তার পরেই ২রা মে ঘোষণা হয়েছে ফলাফল। তাতে বিজেপিকে সেঞ্চুরির আগেই থামিয়ে ডবল সেঞ্চুরি করেছে মমতার মা-মাটি- মানুষের সরকার। তার পর থেকেই রাজ্য জুড়ে চলছে ভোট পরবর্তি হিংসা।
তৃতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানিয়েছিলেন কোন দলের কাউকেই রোয়াত করা হবেনা। আইন চলবে আইনের পথে। তবে থামেনি হিংসা। এখনো পর্যন্ত ১৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়ে। সকল দলের কর্মী সমর্থকেরা আছেন। আক্রান্ত হয়েছেন বহু মানুষ। বিজেপির তরফ থেকে বারবার অভিযোগ করা হয়েছে তৃণমূলের লোকেরা রাজ্য জুড়ে আক্রান্ত করছে তাদের দলীয় কর্মীদের।
অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি ভোটের সময় থেকেই রাজ্য জুড়ে হিংসার উস্কানিমূলক বার্তা দিয়েছে এসেছে দিলীপ ঘোষ সহ একাধিক বিজেপির নেতা, এবং মমতা দাবী করেছেন যেসব জায়গায় বিজেপি জিতেছে সেসব জায়গাতেই এই ধরণের হিংসার বাতাবরন তৈরি হয়েছে। ভোটের প্রচারে উস্কানিমূলক বার্তা দেওয়ার কারণে ইতিমধ্যেই উওর কলকাতার যুব তৃণমূলের পক্ষ থেকে মানিকতলা থানায় দিলিপ ঘোষ মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে FIR দায়ের করা হয়েছে। অপরদিকে সকল ঘটনার বিস্তারিত তথ্য চেয়ে স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে কলকাতা হাই কোর্ট।


এই পরিস্থিতিতে বিজেপির তরফ থেকে জানানো হয়েছে রাজ্যে এই হিংসা বন্ধ না হলে বিধানসভার অধিবেশনে যাবেন না তাঁরা কেউ। আজই বিধানসভাইয় দিলীপ ঘোষ বাকিদের নিয়ে পরিষদের বৈঠক করেন। বিধানসভাতে উপস্থিত থাকলেও সেই বৈঠক এড়িয়ে যান মুকুল রায়। বৈঠকের পরেই বিধানসভা বয়কটের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি জানিয়েছেন, “রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অশান্তি চলছে। যতদিন পর্যন্ত অশান্তি বন্ধ হচ্ছে, বিধায়কদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত কোনও বিজেপি বিধায়ক বিধানসভা অধিবেশনে শামিল হবে না। ” এমনকী স্পিকার নির্বাচনেও বিজেপির সদস্যরা সামিল হবেনা বলেই আজ জানিয়েছেন তিনি।







