মুকুলের পথেই এবার তৃণমূলে ফিরলেন তাঁর রাজনৈতিক ‘শিষ্য’ তপন সিনহা।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ মুকুলের পথেই এবার তৃণমূলে ফিরলেন তাঁর রাজনৈতিক ‘শিষ্য’ তপন সিনহা। মুকুল রায় তৃণমূলে ফিরে আসতেই একের পর এক দলবদল করে আসা বিজেপির নেতা কর্মীরা বেসুরো গাইতে শুরু করেছেন। সোনালি গুহ, দিপেন্দু বিশ্বাসের মত অনেকেই প্রকাশ্যে দলে ফিরতে চেয়েছেন। আবার সুনীল মণ্ডল, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত অনেককে দলে না নেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই শীর্ষ নেতৃত্বকে অনুরোধ করেছে তৃণমূলের নেতা কর্মীরা।

আরও পড়ুনঃ একদিন থেমে থাকার পর ফের বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম, জানুন কলকাতায় দাম কত

আর এই সব জল্পনার মধ্যেই এবার তৃণমূলে ফিরে এলেন মুকুল ঘনিষ্ঠ তথা মুকুলকে রাজনৈতিক গুরু বলে সম্বোধন করা তপন সিনহা। এদিনই বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সহ সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। তাঁর মত নেতার তৃণমূলে ফিরে আসা নিয়ে যথেষ্ট অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির। প্রসঙ্গত মুকুল তৃণমূলে ফিরে আসার পরেই বেসুরো গাইতে শুরু করেছিলেন তিনি। মুকুলের যোগদানের দিনেই এক ভিডিও বার্তায় বিজেপির নেতা কর্মীদের সম্মান জানিয়ে মুকুলকে রাজনৈতিক ‘গুরু’ বলেও সম্বোধন করেন। মুকুল রায়ের সঙ্গে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন বলেও জানান তিনি। আরও জানান, বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তৈরি হওয়ার পর থেকেই তিনি সামলেছেন সহ-সভাপতির পদ। সাম্প্রতিককালে দলে থেকে ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না বলেও ওই ভিডিও বার্তায় দাবি করেন।

যদিও তার জন্য ব্যক্তিগতভাবে কাউকে দোষারোপ করেননি তিনি। তবে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল ‘গুরু’ মুকুল রায়ের পথ অনুসরণ করেই ফের তৃণমূলে ফিরতে পারেন তপন সিনহা। সেই সম্ভাবনাকে সত্যি করে শনিবার বিকেলে গোবরডাঙা পুরসভার প্রশাসক সুভাষ দত্তের হাত ধরে পুরনো দলে ফিরে আসেন তিনি। তৃণমুল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া নেতাদের দলে ফেরানো নিয়ে রাজ্যজুড়ে পোস্টার রাজনীতি চলছে। তবে তপন সিনহার বিরুদ্ধে সেই ধরণের কোনও পোস্টার এখনও চোখে পড়েনি। পদ্মশিবিরে কাজের পরিবেশ না থাকায় এই সিদ্ধান্ত বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে গোবরডাঙা শহরের বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী শর্মিষ্ঠা বালা রায়ও এদিন তাঁর অনুগামীদের নিয়ে তৃণমুলে যোগ দেন।

মুকুলের পথেই এবার তৃণমূলে ফিরলেন তাঁর রাজনৈতিক ‘শিষ্য’ তপন সিনহা। তাঁর দাবি, বিজেপিতে কাজ করতে পারছিলেন না। এদিকে একের পর এক কর্মীদের দলত্যাগে দলের ভাঙন ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিজেপির রাজ্য নেতারা। এখন দেখার এই দলত্যাগ ঠেকাতে কি ব্যবস্থা নেয় রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত