ইউক্রেনের সঙ্গে রাজি হয়নি রাশিয়া। পরে বৈঠকে রাজি হলেও বেলারুশে বৈঠকের কথা জানায় রাশিয়া। বেলারুশে বৈঠকে রাজি ছিল না ইউক্রেন। পরে বেলারুশে রাশিয়ার সঙ্গে বৈঠকে রাজি ইউক্রেন। এমনটাই জানাচ্ছে রুশ সংবাদমাধ্যম।
যুদ্ধবিরোধীদের ভয়! Facebook আংশিক 'বন্ধের' চিন্তাভাবনা রাশিয়ার। সূত্রের খবর, ইউক্রেনের উপর হামলার ঘটনায় (Ukraine Russia War) বিশ্বের অধিকাংশ দেশই ভ্লাদিমির পুতিনের (Vladimir Putin) সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় সরব হয়েছে। এমনকী, রুশ নাগরিকদের একটা বড় অংশও পুতিন প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে খুশি নন।
ইউক্রেনের ১১৮টি সামরিক পরিকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গতকাল আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ‘ন্যাটো সদস্য দেশের ওপর হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। যার পরিনতি হবে ভয়ঙ্কর।’ যদিও সেই হুমকিতে কাজ হয়নি
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের কোনও দেশে এটি সবচেয়ে বড় হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। শুক্রবার কিয়েভ দখলের মুখে রাশিয়া। সকলকে কার্ফু মেনে চলার নির্দেশ প্রেসিডেন্ট জেলিনিস্কির।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বোমাবৃষ্টির জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ। রাশিয়ার দাবী, ৭০ এর অধিক ইউক্রেনের সেনা ছাউনিতে হামলা, ধ্বংস হয়েছে ১১ টি বিমানঘাঁটি। রাশিয়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র ইগোর কনাশকেভ জানিয়েছেন, ইউক্রেনের ৭৪ টি সেনাছাঁউনি গুঁড়িয়ে দিয়েছে রুশ আর্মি।
বৃহস্পতিবার সকালে ইউক্রেন অভিযানের নির্দেশ দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এর পরেই কিয়েভের একাধিক প্রান্তে বোমাবর্ষণের শব্দ শোনা যায়। আতঙ্কে রাজধানী ছাড়তে ভিড় জমান সাধারণ মানুষ। এখনও অবধি পাওয়া খবর অনুযায়ী, ৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।