গতবার অভিষেকের সভা ঘিরে কম জল্পনা হয়নি। শেষ মুহুর্তে সভাস্থল বদলের নির্দেশ দেয় ত্রিপুরার বিপ্লব দেবের সরকার৷ কিন্তু আদালতের নির্দেশে সভার অনুমতি পায় তৃণমূল৷ তবে কোভিড বিধি মেনে উপস্থিত হতে পারেননি হাজারো জনতা। এবার সরকারের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় তা দেখার রয়েছে।
এর আগেও একই ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ সুস্মিতা দেব। অভিযোগ ত্রিপুরায় বিরোধীদের প্রচার করতে দেওয়া হচ্ছে না। বিভিন্ন জায়গায় প্রচারে বাধা দিচ্ছে শাসক দল বিজেপি। সুস্মিতা দেবের সেই আবেদনে সাড়া দেয় আদালত।
নির্বাচনের প্রাক্কালে ককবরক রাজ্যে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে প্রচার শুরু করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বারবার হামলার শিকার হতে হয়েছে ঘাসফুল শিবিরকে। এমনকি সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপের পর মিলছে না কোনও সুরাহা।
ত্রিপুরায় মিছিল করতে চেয়ে ফের আবেদন করল তৃণমূল, হাল ছাড়ছেন না অভিষেক। গত কয়েকমাসে বিপ্লবের রাজ্যে একাধিক কর্মসূচি পালন করেছে ঘাসফুল শিবির। তবে কোনটাই নির্বিঘ্নে নয়।
কর্নার থেকে গোল দেবেন, ত্রিপুরায় খেলতে যাচ্ছেন বীরভূমের কেষ্ট! শুধু খেলা নয় একেবারে কর্নার থেকে গোল দেবেন জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি এবার ত্রিপুরায় গিয়ে খেলব। খেলে কর্নার থেকে গোলও দেব।”
চার বিজেপি বিধায়ক নাম লেখাতে পারেন তৃণমূলে, অভিষেকের মঞ্চে বড় যোগদান হতে পারে ত্রিপুরায়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এবার সার্বিক ভাবে বিজেপির আক্রমনের বিরুদ্ধে নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস।