নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত কয়েকমাসে বিপ্লবের রাজ্যে একাধিক কর্মসূচি পালন করেছে ঘাসফুল শিবির। তবে কোনটাই নির্বিঘ্নে নয়। প্রথম বার ত্রিপুরায় পা রেখেই হামলার মুখোমুখি হয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ১৫ তারিখে ত্রিপুরায় ঐতিহাসিক পযযাত্রার পরিকল্পনা করেছিলেন অভিষেক। কিন্তু মেলেনি অনুমতি, ১৬ তারিখের আবেদনও নাকচ করেছে ত্রিপুরা সরকার। তাই এবার ২২ তারিখ ত্রিপুরায় মিছিল করতে চেয়ে ফের আবেদন করল তৃণমূল।
আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরেও! তথ্য গোপনের অভিযোগে মমতার মনোনয়ন বাতিলের দাবি BJP’র


ঠিক ছিল আগস্ট ১৫ই সেপ্টেম্বর বেলা ২টোর সময় আগরতলায় জমায়েত করে হবে এই পদযাত্রা। সর্বাগ্রে থাকবেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। কিন্তু মেলেনি অনুমতি। ত্রিপুরা পুলিশ অনুমতি না দেওয়ার কারণ হিসেবে জানিয়েছে সে রাজ্যের নিয়ম মাফিক অনুযায়ী মিছিলের ৭২ ঘণ্টা আগে লিখিত অনুমতি চাইতে হয়। জানাতে হয়, মিছিলের রুটম্যাপ থেকে কে বা কারা থাকবেন সবকিছুর বিস্তারিত তথ্য। বিপ্লবের রাজ্যের পুলিশের মত তৃণমূলের তরফ থেকে বিস্তারিত এবং লিখিত ভাবে আবেদন করা হয়নি।
সঙ্গে আরও জানিয়েছেন অই এক দিনেই ত্রিপুরায় অন্য একটি দল একই পথে পদযাত্রা করবে, তারা আগে ভাগেই নিজেদের পরিকল্পনা জানিয়ে অনুমতি নিয়েছে। পাশাপাশি ১৭ তারিখে রয়েছে বিশ্বকর্মা পূজা। তাই ১৬ তারিখেও আগরতলা শহরে তৃণমূল কে মিচিলের অনুমতি দেওয়া যাবে না। এই ঘটনায় চরম ক্ষুব্ধ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি ট্যুইটে লেখেন, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনের সর্বশক্তি ব্যাবহার করছেন তৃণমূল কে আটকানোর জন্যে। কিন্তু তাঁকে আটকানো সহজ নয়। বিপ্লবের শেষের দিন গোনা শুরু হয়ে গিয়েছে সেটা পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে। সর্ব শেষে তাঁর সংযোজন, ‘ইয়ে ডড় হামে আচ্ছা লাগা’!


অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন দমে যাওয়ার পাত্র তিনি নন। তাই ত্রিপুরায় মিছিল করতে চেয়ে ফের আবেদন করল তৃণমূল। এবার আবেদন করা হয়েছে ২২ সেপ্টেম্বরের জন্যে। যদিও আবেদন সকালে করা হলেও এখনও পর্যন্ত কোন জবাব আসেনি ত্রিপুরা প্রশাশনের তরফে। এখন দেখার ২২ তারিখের জন্যে মিছিল করার অনুমতি পায় কিনা তৃণমূল!
ত্রিপুরায় মিছিল করতে চেয়ে ফের আবেদন করল তৃণমূল, হাল ছাড়ছেন না অভিষেক।








