গত ৫ মে মুক্তি পেয়েছে সুদীপ্ত সেন পরিচালিত 'দ্য কেরালা স্টোরি'। মুক্তির পর থেকেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ সহ বিজেপি শাসিত কয়েকটি রাজ্য এই ছবিকে করমুক্ত করেছে। অন্যদিকে আবার পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ুর মত রাজ্যে এই ছবি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর বিরোধিতা করে ছবি নির্মাতারা শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। আগামী ১৫ মে মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে।
মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিবেক অগ্নিহোত্রী। টুইটে তিনি লিখেছেন, “বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দ্য কাশ্মীর ফাইলস এবং আসন্ন ছবি ‘দ্য দিল্লি ফাইলস’ নিয়ে মিথ্যাচার করেছেন। তাঁর এই মন্তব্যের কারণে অভিষেক আগরওয়াল, পল্লবী যোশির সঙ্গে সম্মিলিতভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে।”
স্বাভাবিকভাবেই নাদাভ লাপিতের এই মন্তব্য মোটেই ভালোভাবে নেননি পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী। তিনি পাল্টা চাঁচাছোলা উত্তর দিয়ে জানিয়েছেন, গুড মর্নিং। সত্যিটা কেউ মেনে নিতে পারে না। সত্যি ঘটনা বড়ই ভয়ংকর। এই রকম সত্যি ঘটনাই মানুষকে মিথ্যা কথা বলার প্ররোচনা জোগায়।
বিতর্ক দিয়ে শেষ হল গোয়া আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। তার কারণ সেই বিতর্কিত “কাশ্মীর ফাইলস”। বেশ কিছুমাস আগে দেশে মুক্তি পেয়েছিল এই ছবিটি। আর মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই শুরু হয় চর্চা। কিন্তু এবার এই ছবিকে ‘অশ্লীল’ বলে তীব্র ভর্ৎসনা করেন জুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান পরিচালক নাভাদ লাপিড।
পশ্চিমবঙ্গের অচলাবস্থার কথা উল্লেখ করে আগামী দিনে কাশ্মীর ফাইলসের মতো তৈরি হবে পশ্চিমবঙ্গ ফাইলস। বাঁকুড়ার এক সভা থেকে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন কেন্দ্রিয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার।
বিবেক অগ্নিহোত্রী পরিচালিত-নির্মিত এই ছবি মার্চ মাসে মুক্তি পায়। ভারতে এই ছবি তুমুল সাফল্য পেয়েছে। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উপর হিংসার ঘটনাকে অবলম্বন করে নয়ের দশকে উপত্যকার কথা তুলে ধরা হয়েছে এই ছবিতে। ছবিতে অভিনয় করেছেন অনুপম খের, পল্লবী জোশী, মিঠুন চক্রবর্তীর মতো অভিনেতারা।