রসমাধুরী, নামটি হয়তো অনেকেই শুনে থাকবেন। হ্যাঁ নাম শুনে বোঝা যাচ্ছে এটি আমাদের চেনা বাঙালি মিষ্টি নয়। একটি সাধারণত বিহারের মিষ্টি। রসমালার সঙ্গে আমাদের বাঙালির রসমালাইয়ের নামের অনেক মিল রয়েছে। তবে রসমালাই আর রসমাধুরী কিন্তু একেবারেই আলাদা। অনেকটা রসমালাই এবং রসগোল্লার সংমিশ্রণ বলতে পারেন।
রাত পোহালেই দীপাবলি বা দিওয়ালি। তবে ইতিমধ্যেই সব পথ-ঘাট সেজে উঠেছে আলোতে। তবে দীপাবলিতে শুধু আলো থাকলেই হয়না। তার সাথে লাগে মিষ্টি। আর দীপাবলিতে আর কোন মিষ্টি থাকুক আর না থাকুক কাজু বরফি মাস্ট। তবে এবারের দীপাবলি পালন করুন একটু অন্যভাবে। এই দীপাবলিতে কাজু বরফি বানান বাড়িতে। দেখুন রেসিপি।
সবাই ঘরে ঘরে পালন করছে বিজয়া দশমী। মিষ্টি দিয়ে করছে বিজয়া প্রনাম। তবে এবারের পুজোতে কেনা মিষ্টি দিয়ে বিজয়া পালন না করে। বাড়িতে বানানো মিষ্টি দিয়েই পালন করে নিতে পারেন বিজয়া।
যুগ যুগ ধরে বাঙালীর পাতে মিহিদানার জুড়ি মেলা ভার। এই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি বহু প্রাচীন থেকে চলে আসছে। এই মিষ্টি প্রথম আবিষ্কার হয় ১৯০৪ সালে। এবং মিহিদানা যে বর্ধমানেই বিখ্যাত সেকথা কারোরই অজানা নয়। ভৈরবচন্দ্র নাগ সর্বপ্রথম মিহিদানা তৈরি করেন। জানেন কি সেই রেসিপি? কিকরে বানাবেন?
পটল দিয়ে তো আপনারা নানান রকমের তরকারি খেয়েছেন। কখনও চিংড়ি দিয়ে পটলের ঝাল কখনও, পটলের দর্মা, কখনও পটলের চপ, কখনও মাছ দিয়ে পটলের ঝোল। আরও কত কী কিন্ত কিন্তু ইদানিং পটল দিয়ে তৈরি একটি রেসিপি বেশ নজর কারছে। পটলের মিষ্টি। না এটি পটলের মত দেখতে কোন মিষ্টি নয়। সবজি পটল দিয়েই তৈরি হয় এই পটল মিষ্টি।
রসগোল্লা খায় না বা ভালোবাসে না এমন মানুষ হয়তো হাতে গুনে পাওয়া যাবে। যেকোনো অনুষ্ঠান হোক বা কোন কারণ ছাড়া বাঙালির রসগোল্লা চাই ই চাই। তবে রসগোল্লার সাথে দেওয়া হয় অনেকটা পরিমাণে রস যা মানুষ ফেলে দেয়। তবে এগুলো না ফেলে নানা কাজে ব্যাবহার করা যায়।
বোঁদে অন্যতম জনপ্রিয় মিষ্টি। এটি সাধারনত বাংলার মিষ্টি। এটি বিশেষ ভাবে জনপ্রিয় পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায়। তবে এটি এখন প্রায় সব জায়গাতেই জনপ্রিয়। এখন প্রায় সব দোকানেই এই মিষ্টি পাওয়া যায়। জয়রামবাটীর সাদা বোঁদে ভক্ত ও ভ্রমণার্থীদের মধ্যে বিশেষ জনপ্রিয়। তবে কিকরে বাড়িতে বানবেন এই বোঁদে?