স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ রোগীদের সুরক্ষা এবং প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে। এআই প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কড়া নিয়ম চালু হওয়ায় দুর্নীতি কমবে বলে আশা করছে স্বাস্থ্য দপ্তর।
রোগী রাজ্যের যেকোনো হাসপাতাল বা নার্সিংহোমে ভর্তি হতে পারেন। চিকিৎসা শেষে এই কার্ডের মাধ্যমে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত রোগীর চিকিৎসা খরচ মেটাবে সরকার। কিন্তু এখন সেই বিলের উপরেই অতিরিক্ত বিল করে সরকারের কোষাগার থেকে অসাধু উপায়ে টাকা পাইয়ে দেবার যে চক্র রাজ্য জুড়ে কাজ করছে তার জেরেই সরকারের এই সিদ্ধান্ত।
সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন চিকিৎসার সুবিধা দিতে চালু হওয়া এই পরিষেবা নিয়ে নানা বিতর্ক শুরু হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এবার বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে একহাত দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।
তাই এবার নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করল মমতার সরকার। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে,চিকিৎসা শুরুর আগে রোগী রেফার হলে বা মারা গেলে প্যাকেজের পুরো টাকা পাবে না হাসপাতাল। এছাড়াও রোগীর অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে যদি দেখা যায়, অস্ত্রোপচার সম্ভব নয়, তাহলে প্যাকেজের ৩৫% টাকা দেবে সরকার। অস্ত্রোপচার আংশিক হলে মিলবে ৫০% টাকা।
সবার জন্যে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় সাড়ে সাত কোটি জনগন কে নিয়ে আসার লক্ষ্য ছিল রাজ্য সরকারের। পরে সেই প্রকল্প হয়ে যায় সার্বজনীন। বলা হয়, রাজ্যের যে সব বাসিন্দা কোনরকম স্বাস্থ্য জনিত বিমার সুযোগ পাননা।
স্বাস্থ্য সাথী নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। যা নিয়ে এর আগেও মুখ্যমন্ত্রী বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কিন্তু এবার কারা পরিসেবা দিচ্ছে না তাঁদের চিহ্নিত করে লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
২৫ টাকায় ডুব্লিকেট! স্বাস্থ্য সাথী কার্ড হারানোর নিদান সরকারের। নির্বাচনের বেশ আগেই মমতার সরকার রাজ্যের মানুষের একেবারে ঘরে পৌঁছতে চালু করেছিল একাধিক প্রকল্প। ' দুয়ারে সরকার ' প্রকল্পের সাফল্যের মধ্যে কার্যত দুয়ারে পৌঁছেছে রাজ্য সরকার।