নজরবন্দি ব্যুরোঃ সবার জন্যে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় সাড়ে সাত কোটি জনগন কে নিয়ে আসার লক্ষ্য ছিল রাজ্য সরকারের। পরে সেই প্রকল্প হয়ে যায় সার্বজনীন। বলা হয়, রাজ্যের যে সব বাসিন্দা কোনরকম স্বাস্থ্য জনিত বিমার সুযোগ পাননা। তাঁরা স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সহায়তা পাবেন সরকারের তরফে।
আর পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে স্কুল খুলছে রাজ্যে, তবে সবার জন্যে নয়! কারা যেতে পারবেন স্কুলে?


মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন এই কার্ডের সুবিধা ক্যাশলেস সিস্টেম। রাজ্যের সমস্ত সরকারি হাসপাতাল ছাড়াও দেড় হাজার বেসরকারি হাসপাতাল কে এই কার্ডের আওতাভূক্ত করা হয়েছে। সরকার এই প্রকল্পের জন্যে বাড়তি ২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল। সবই হয়েছে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড পেয়েছেন বাংলার জনগন। তবে অনেকের কার্ড থাকলেও সুবিধা মেলেনি। রাজ্যের বেশিরভাগ বেসরকারি হাসপাতাল চেষ্টা করে স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে পরিসেবা না দিতে।
আরও পড়ুনঃ রাতভর প্যান্ডেল হপিং শেষ, জেলায় জেলায় ফিরল কন্টেনমেন্ট জোন, সাথে নাইট কার্ফু।
এবার টা নিয়েই ফুঁসে উঠলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাফ জাবিয়ে দিলেন, বেসরকারি হাসপাতাল স্বাস্থ্যসাথী না নিলে কড়া ব্যাবস্থা নেওয়া হবে রাজ্য সরকারের তরফে। তিনি বলেন, “বহু বেসরকারি হাসপাতাল স্বাস্থ্যসাথী মানছে না। অ্যাকশন নিন। চিহ্নিত করুন। দরকারে আমি ওদের লাইসেন্স বাতিল করব।”


বেসরকারি হাসপাতাল স্বাস্থ্যসাথী না নিলে কড়া ব্যাবস্থা, লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি মমতার।

স্বাস্থ্য সাথী নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। যা নিয়ে এর আগেও মুখ্যমন্ত্রী বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কিন্তু এবার কারা পরিসেবা দিচ্ছে না তাঁদের চিহ্নিত করে লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।







