নজরবন্দি ব্যুরোঃ অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে স্কুল খুলছে রাজ্যে। উত্তরবঙ্গ সফরে এসে শিলিগুড়িতে প্রশাসনিক সভায় স্কুল খোলার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্কুল কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। আজ বৈঠক শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যসচিবকে বলেন, পুজোর মরসুম শেষ হতেই, অর্থাৎ ছট পুজো ও জগদ্ধাত্রী পুজোর পর স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুনঃ রাজ্য সরকারী কর্মচারীদের জন্য সুখবর, খুশির বিজ্ঞপ্তি জারি করল অর্থ দফতর।


মুখ্যসচিব কে নির্দেশ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘স্কুল-কলেজ খোলার আগে প্রস্তুতির সময় দিতে হবে। দীর্ঘ দিন স্কুল বন্ধ ছিল। তাই কিছুটা সময় দিতে হবে স্কুলগুলিকে যাতে স্কুল কর্তৃপক্ষ পরিকাঠামোগত কাজ সেরে ফেলতে পারে। তার পরেই স্কুল শুরু হবে মাঝ নভেম্বরে।’’ স্কুল খোলার আগে যাতে রাজ্যের স্কুল কলেজ গুলিকে পরিষ্কার করে স্যানিটাইজ করা হয় সেই সমস্ত বিষয়গুলি নজরে রাখার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
যদিও প্রথমেই সবার জন্যে খুলছে না স্কুল। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রথম ধাপে ক্লাস নাইন থেকে বারো ক্লাস অব্দি স্কুল খোলা হবে। পাশাপাশি খোলা হবে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিও। উল্লেখ্য, স্কুল খোলার ব্যাপারে শনিবারই স্কুলশিক্ষা দফতরের কর্তাদের সঙ্গে জেলা স্কুল পরিদর্শকদের শনিবারের ভিডিয়ো-সম্মেলন হয়। সেখানে বলা হয়, স্কুলে স্যানিটাইজেশনের কাজ শেষ করতে হবে ২৭ অক্টোবরের মধ্যে।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে স্কুল খুলছে রাজ্যে, তবে সবার জন্যে নয়! কারা যেতে পারবেন স্কুলে?

সেই সঙ্গে বলা হয় স্কুলের নবম থেকে দ্বাদশের পড়ুয়াদের অভিভাবকদের ডেকে স্কুলের জীবাণুমুক্তির তথ্যও জানাতে হবে। নবম থেকে দ্বাদশের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যাদের আধার কার্ড এখনও বাংলা শিক্ষা পোর্টালে আপলোড হয়নি, তাদের ওই পোর্টালে দ্রুত আধার নম্বর আপলোড করতে বলতে হচ্ছে স্কুল-প্রধানদের।


উল্লেখ্য, ২০২০ সালেই ১৬ মার্চ থেকে করোনা সংক্রমণ ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয় রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রাথমিক ভাবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশিকা জারি হলেও আর স্কুল-কলেজ খোলা হয়নি। প্রায় দেড় বছর পর করোনা সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসায় ২০ মাস পর স্কুল খোলার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।







