মহাকাশ নিয়ে আমাদের কৌতূহলের শেষ নেই। সারাদিন কতকিছু যে ঘটে চলে তাঁর নাগাল পাওয়া আমাদের সাধ্য নেই। পৃথিবীর মতো মানুষের বাসযোগ্য অন্য গ্রহ বহু কাল ধরে মানুষ খুঁজে যাচ্ছে। কিন্তু টা এখনও পর্যন্ত কোন বিজ্ঞানী খুঁজে পাননি। তবে এবার হয়ত সেই প্রত্যাশার অবসান ঘটতে চলেছে। এবার মহাকাশ থেকে সংকেত পেলেন বিজ্ঞানীরা।
আসছে চৈত্র সংক্রান্তি এবং বর্ষবরন তবে এই আনন্দের মধ্যেই তাপপ্রবাহের খবর শোনালো হাওয়া অফিস। ১০ থেকে ১৫ এপ্রিল প্রবল তাবপ্রবাহের সতর্কতা জারি। আগামী রবিবার পর্যন্ত একই রকম তাপপ্রবাহ থাকবে কিন্তু তাঁর পর দিন থেকেই হু হু করে বাড়বে তাপপ্রবাহ।
হিসাব বলছে, আর কদিনের মধ্যেই ১৯৮৯ জেএ কার্যত পৃথিবীর ঘাড়ের কাছে চলে আসবে। আমাদের প্রিয় নীল গ্রহ থেকে তার দূরত্ব হবে মাত্র ৪০ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ কিলোমিটার। মহাকাশের দূরত্বের হিসাবে যা একেবারেই নগণ্য! শেষবার এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর কাছাকাছি এসেছিল ১৯৯৬ সালে। সেবারও পৃথিবীর গা ঘেঁষে হুশ করে বেরিয়ে গিয়েছিল ১৯৮৯ জেএ।
মূলত, বহুদিন ধরেই এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ব্যস্ত ছিলেন বিজ্ঞানীরা। এবার এই বহুকাঙ্খিত প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেছে বলে মনে করছেন তাঁরা। যদিও, এর আগে অনেক ভবিষ্যদ্বাণী করা হলেও কিন্তু পরে সেগুলি ভুল বলে প্রমাণিত হয়। তবে সম্প্রতি, বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর আয়ু শেষ হওয়ার আসল তারিখ ও কারণ খুঁজে বের করতে সক্ষম হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে যে, প্রকৃতপক্ষে সূর্যের কারণেই শেষ হয়ে যাবে বলে পৃথিবী।
বিজ্ঞানীরা বলেছেন, সৌর ঝড়ের ফলে প্লাজমা ছড়িয়ে পড়ে মহাশূন্যে। এর আগে পৃথিবীর দিকে নয়, পৃথিবীর থেকে দূরবর্তী স্থানে এই ঘটনা ঘটেছিল, তার প্রভাব পড়েছিল পৃথিবীতে। এ বার সেটি পৃথিবীর দিকে মুখ করে থাকা অংশেই ঘটছে। তাই আশঙ্কা বেশি।
সূর্যকে ছুঁয়ে ফেলল নাসার পার্কার, অনুভব করেছে ৭৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতা। সূর্য কীভাবে গঠন হয়েছে, আমাদের সৌরমণ্ডলের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র কীভাবে কাজ করে তা গভীরভাবে বোঝার জন্যই এই পার্কার সোলার প্রোব ১১তম বারের জন্য সূর্যের একদম কাছাকাছি গিয়েছে।