কারণ যে সময় রাজ্য সভাপতির পদটি ফাঁকা হতে চলেছে এবং শুভেন্দু অধিকারীর নাম উঠে আসছে তখনই তিনি আকার ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিলেন তিনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি হতে চান না। সেই জন্যেই কি এইরকম মন্তব্য? রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা কিন্তু মনে করছেন এমনটাই।
দ্বিতীয়বার সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। বালুরঘাটে এবার রাজ্যের ক্রেতা-সুরক্ষা মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রকে হারিয়েছেন তিনি। আর এবার তাঁকে শিক্ষা ও উত্তর-পূর্ব উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রের এনডিএ সরকার।
পরাজিত হওয়ার পরেও দিল্লিতে ডাকা হয়েছে দিলীপ ঘোষকে। যদিও শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন দিলীপের জমানার থেকে ভল ফল করেছে বিজেপি। কিন্তু কেন্দ্রের চোখে দিলীপই ছিলেন রাজ্যের শ্রেষ্ঠ সেনাপতি। সেই ২০২৬ নির্বাচনকে মাথায় রেখে দিলীপ ঘোষকে পুনর্বহাল করা হচ্ছে রাজ্য সভাপতি পদে।
দিল্লী সূত্রে খবর, পূর্ণ মন্ত্রী করা হচ্ছে সুকান্ত মজুমদার কে। অন্যদিকে দিলীপ ঘোষের হাতে আরও একবার তুলে দেওয়া হচ্ছে বিজেপির ব্যাটন। ই সব নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, "কে মন্ত্রী হবেন, সেটা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঠিক করেন। আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। দল যা ঠিক করবে, তা-ই হবে।"
সুকান্ত মজুমদার নেতৃত্ব হিসেবে দুর্বল হলেও তাঁর স্বচ্ছতা আর ভদ্রতা প্রশ্নাতীত। সেক্ষেত্রে তাঁকে পূর্ণ মন্ত্রী করা হতে পারে বলে খবর। সূত্রের দাবি দিলীপ ঘোষকে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ করে ২০২৬ নির্বাচন লড়বে বিজেপি। এখন সরকারি ভাবে কি সিদ্ধান্ত নেয় সর্বভারতীয় বিজেপি সেটাই দেখার। আজ শুভেন্দু, সুকান্ত সহ বাকি ১১ জয়ী প্রার্থীকে কেন্দ্রে তলব করা হয়েছে আলোচনার জন্যে।
বালুরঘাটে এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ছিল সুকান্ত মজুমদার ও তৃণমূল প্রার্থী তথা রাজ্যের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রের। মঙ্গলবার ফলপ্রকাশের সময়েও একবার একজন লিড নিলেন তো পরক্ষণে আরেক জন। কে জিতবেন তা আঁচ করাই দায় হয়ে উঠেছিল। অবশেষে দেখা গেল, ১০ হাজার ৩৮৬ ভোটে জয়লাভ করেছেন সুকান্ত মজুমদার।