লোকসভা নির্বাচনে খারাপ ফল হওয়ার পর থেকেই রাজ্য বিজেপিতে চলছে ডামাডোল। এই খারাপ ফল বা হারের দায় কে নেবে তা নিয়ে শুরু হয়েছে দড়ি টানাটানি। দলের অন্দরে একে অপরকে দোষারোপ করতে ব্যস্ত রাজ্য নেতারা। দিলীপ ঘোষ যেমন প্রকাশ্যেই বলেছেন এই হারের দায় শুধু একা তার নয়। যারা যারা দল চালান এবং বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন দায় তাদেরও।
আরও পড়ুন:রেস্তরাঁ কান্ডে হাইকোর্টের শুনানির আগেই আগাম জামিন নিতে সাত সকালে আদালতে সোহম



অপরদিকে বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, সব সিদ্ধান্ত তিনি নেন না, কিন্তু রাজ্য সভাপতি হওয়ার জন্য দায় তাকেই নিতে হবে। এই মন্তব্য গুলোর পর রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য স্তরের নেতারা এই খারাপ ফলের পিছনে আঙুল তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারীর দিকেই। আর ঠিক সেই সময়ই শুভেন্দু বাবু মন্তব্য করলেন, ‘সাংগঠনিক কাজ আমার নয়। কেবলমাত্র আমার পার্টির সংগঠনের নেতারা রাজ্যের নির্দেশিকাও যেমন পালন করেন, তেমনি আমার পরামর্শ মেনে চলেন।
এর বাইরে সাংগঠনিক ব্যাপারে আমি কোনদিনই হস্তক্ষেপ করি না। ভবিষ্যতেও করার কোনও ইচ্ছা নেই’। সুকান্ত মজুমদার ভোটে জিতে এবার মন্ত্রী হয়েছেন। বিজেপির নিয়ম অনুসারে একজন ব্যক্তি একাধিক পদে থাকতে পারেন না। তাই নিয়ম মেনে রাজ্য সভাপতির পদ ছাড়তে হবে সুকান্ত কে। কিন্তু কে হবেন পরবর্তী রাজ্য সভাপতি তা নিয়ে জল্পনা চলছে।

আর এখানেই অনেকে এগিয়ে রেখেছেন শুভেন্দু অধিকারী কে। কারণ তৃণমূলের বিরোধিতায় তিনি অন্য বঙ্গ নেতাদের থেকে বেশ কিছুটা এগিয়ে। কিন্তু ভোটের ফলাফলের পর দেখা গিয়েছে বিজেপির অনেকেই জয় পরাজয় নিয়ে আকারে ইঙ্গিতে শুভেন্দুকে দায়ী করেছেন। বিশেষ করে দিলীপ ঘোষ, সৌমিত্র খাঁ এবং জগন্নাথ সরকারের মত নেতারা। আর ঠিক এই অবস্থায় শুভেন্দুর এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।


বঙ্গ বিজেপির সভাপতি হবেন না শুভেন্দু! ইঙ্গিত পূর্ণ মন্তব্যে জানিয়ে দিলেন বিরোধী দলনেতা

কারণ যে সময় রাজ্য সভাপতির পদটি ফাঁকা হতে চলেছে এবং শুভেন্দু অধিকারীর নাম উঠে আসছে তখনই তিনি আকার ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিলেন তিনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি হতে চান না। সেই জন্যেই কি এইরকম মন্তব্য? রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা কিন্তু মনে করছেন এমনটাই।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



