২০২১ সালে যখনই তৃণমূল আবার ক্ষমতায় ফিরল তখন থেকেই ঘর ওয়াপসি শুরু হয়েছে এই সব নেতাদের। মুকুল রায়, সব্যসাচী দত্ত, রাজীব বন্দোপাধ্যায়... আর আজ অর্জুন সিং। সবাই নিজের ভুল বুঝতে পেরে বাংলার স্বার্থে যোগ দিয়েছেন নিজেদের পুরনো দলে। আর তা নিয়েই তীব্র কটাক্ষ করেছেন সুজন চক্রবর্তী।
সিপি(আই)এম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য যুদ্ধ করেন ওরা। রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন। রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন। এর আগে যখন শিল্প সম্মেলন আসে তখন প্রশ্ন আসে সেন্ট্রাল এজেন্সি ধরে নেবে।
শনিবার সাত সকালে তিলজলায় গুলিকাণ্ডের ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। প্রমোটিংয়ের জেরেই স্থানীয় বিবাদ। সেখান থেকে এই ঘটনা। সেই জল্পনার মধ্যেই কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে শুরু রাজনৈতিক চাপানুতোর। তিনি বলেন, গুলি না চললে পুলিশ উঠে যাবে।
কিছুদিন ধরে দেখা যাচ্ছে যে কে কাকে চিঠি দেবে, কে কার সঙ্গে কথা বলবেন, সেবিষয়ে হাস্যকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। ফাজলামি হচ্ছে। রাজ্যে সংসদীয় গণতন্ত্র নেই। একরকম মক ফাইট হচ্ছে প্রায়। অধিবেশনে রাজ্যপাল যে ভাষণ দেবে, তা নিয়ে এত আলোচনা কেন?
মহারাষ্ট্র এবং তেলেঙ্গানার পর এবার বাংলায় বিনিয়োগের জন্য তাঁকে আহ্বান জানালেন রাজ্যের মন্ত্রী গোলাম রব্বানি। ট্যুইটারে এলন মাস্ককে উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী ট্যুইট, বাংলায় বিনিয়োগের পরিকাঠামো রয়েছে।
মিছিল চলে যাওয়ার পর ফের আবার কথা হবে। ওঁদের অসুবিধা হতে পারে। রবীনদা এবং সুজনদা আমাদের এই ওয়ার্ডের অতিথি। তাঁদের শুভেচ্ছা।" যদিও মঞ্চ থেকে কুণাল-সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতা এবং সিপিআইএম, দু'পক্ষই কিন্তু পরস্পর পরস্পরকে একের পর এক আক্রমণ শানিয়েছেন।