নজরবন্দি ব্যুরোঃ কিছুদিন ধরে দেখা যাচ্ছে যে কে কাকে চিঠি দেবে, কে কার সঙ্গে কথা বলবেন, সেবিষয়ে হাস্যকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। ফাজলামি হচ্ছে। রাজ্যে সংসদীয় গণতন্ত্র নেই। একরকম মক ফাইট হচ্ছে প্রায়। অধিবেশনে রাজ্যপাল যে ভাষণ দেবে, তা নিয়ে এত আলোচনা কেন? বিধানসভার ঘটনা প্রসঙ্গে জানালেন সিপি(আই)এম নেতা সুজন চক্রবর্তী।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যপালকে বিক্ষোভের কারণ ব্যাখ্যা করলেন শুভেন্দু, রাজভবনে মমতা


সিপি(আই)এম নেতার কথায়, ভোটে এত সন্ত্রাস হল সেবিষয়ে কোনও মন্তব্য নেই। এবলছে তৃণমূল করছি। ও বলছে বিজেপি করছি। সেটাই এখন মূল আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। এতে মানুষের তো কিছু লাভ হল না? অধ্যক্ষ কী বলবেন? রাজ্যপাল কী বলবেন? তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
সোমবার থেকে শুরু হয়েছে বিধানসভার বাজেট অধিবেশন। প্রথম দিনেই বিজেপি বিধায়কদের বিক্ষোভের জেরে কার্যত রণক্ষেত্রে আকার নেয় বিধানসভা। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। বাজেট বক্তৃতা না করেই চলে যেতে হয় রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে। এরপরেই রাজ্যপালকে বিক্ষোভের কারণ ব্যাখ্যা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপরেই রাজভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন রাজ্যপালের ভাষণ শুরু হওয়ার সময়েই ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। সোমবার বিক্ষোভরত বিজেপি বিধায়কদের থামাতে অনুরোধ করেন রাজ্যপাল। কিন্তু রাজ্যপালের কথা অমান্য করায় বিধানসভা ছেড়ে বেরিয়ে যেতে চান তিনি। কিন্তু রাজ্যপাল সহ অন্য মন্ত্রীরা তাঁকে পথ আটকায়। হাতজোড় করে রাজ্যপালের কাছে অনুরোধ করেন রাজ্যপাল। মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধের পরেই বসে পড়েন রাজ্যপাল।


বিধায়কদের শান্ত হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন রাজ্যপাল। কিন্তু বিজেপির বিধায়করা মাটিতে বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলতে আসেন শুভেন্দু অধিকারী। ছিলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিছু সময় ধরে কথা হয়। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করে তৃণমূল বিধায়করা। এরপর বাজেটে বক্তৃতা না দিয়েই বিধানসভা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন রাজ্যপাল। তাঁকে বাধা দেন তৃণমূলের মহিলা বিধায়করা। ছিলেন শশী পাঁজা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে মমতার নির্দেশে সরে আসেন তাঁরা।
ফাজলামি হচ্ছে, সংসদীয় গণতন্ত্র নেই, বিস্ফোরক সুজন

এরপর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা হয় রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের। রাজ্যপালকে কারণ ব্যাখা করেন তিনি। বিধানসভা ছেড়ে রাজ্যাপালের গাড়ি বের হওয়ার পরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তৃণমূল সুপ্রিমো। বিজেপিকে তাদের ভূমিকা নিয়ে কটাক্ষ করার পর মমতা রওনা হন রাজভবনের উদ্দেশ্যে। এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।







