পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মানিক ভট্টাচার্যের পর নিয়োগ দুর্নীতিতে অন্যতম বড় পদক্ষেপ তদন্তকারী সংস্থার। ইতিমধ্যেই তাঁকে নিজাম প্যালেসে নিয়ে এসেছে সিবিআই। জীবনকৃষ্ণের আন্দির বাড়ি থেকে যে সমস্ত তথ্য পাওয়া গেছে, সেই সমস্ত তথ্যকে সামনে রেখে সোমবার জীবনকৃষ্ণকে হেফাজতে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। সিবিআই সূত্রে খবর, গরু পাচারের সঙ্গে যোগ ছিল জীবনকৃষ্ণের।
সোমবার ভোরবেলা স্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয় অ্যারেস্ট মেমো। এই মুহুর্তে নিজাম প্যালেসে উপস্থিত হয়েছে জীবনকৃষ্ণের কনভয়। জিজ্ঞাসাবাদ প্রক্রিয়া ফের শুরু করতে চলেছে তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু এরই মধ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসতে শুরু করেছে। সিবিআই সূত্রে খবর, জীবনকৃষ্ণকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও ১০ জন বিধায়কের নাম পেয়েছে সিবিআই।
শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার দুটি ফোন খোঁজার কাজ। প্রায় ৩২ ঘন্টা ধরে খোঁজ চলার পর একটি মোবাইল উদ্ধার হয়েছে রবিবার সকালে। দ্বিতীয় ফোন খোঁজার জন্য ৭ জনের একটি দল ব্যবস্থা করছে সিবিআই। দ্বিতীয় ফোন পাওয়া গেলেই তদন্ত শেষ! রীতিমতো চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়েছে পুকুরে।
মামলার শুরুতেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মন্তব্য করেছেন, এত বড় স্ক্যাম শিক্ষাক্ষেত্রে আগে কখনও হয়নি। সব মিলিয়ে বিকাশ বাবু কনফিডেন্ট, যদি হাইকোর্টের নির্দেশে হওয়া ইডি-সিবিআই তদন্তের গতিপথ কেন্দ্র রুদ্ধ না করে তাহলে কপালে দুঃখ আছে দুর্নীতিকারীদের।
নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে ইডি ও সিবিআই। বৃহস্পতিবার এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। কিন্তু বিচারপতির পর্যবেক্ষণে যা উঠে এসেছে, তা নিয়ে চর্চা হয়েছে বিভিন্ন মহলে। তদন্তকারী সংস্থার ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, আপনারা যদি এবার মাথায় না পৌঁছতে পারেন, আমি জানি কী করতে হবে। দীর্ঘ দিন হয়েছে। সময় অপচয় ছাড়া কিছু হচ্ছে না।