নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুক্রবার পুকুরে মোবাইল ফেলে দিয়েছিলেন মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। তারপর থেকে পুকুর ছেঁচে মোবাইল খোঁজার কাজ শুরু হয়েছে। রবিবার সকালে একটি মোবাইলের হদিশ মিলেছে। অপরটির খোঁজ পেতে কম কসুর করছে না সিবিআই। জীবনকৃষ্ণের মোবাইল পেতে এবার জেসিবি আনল সিবিআই। দেখে তাজ্জব গ্রামবাসী।
আরও পড়ুনঃ কতটা ফিট হলেন বুমরা-শ্রেয়স? বড় আপডেট দিল বিসিসিআই


প্রায় ৪৮ ঘন্টা হতে চলল এখনও দ্বিতীয় ফোনের খোঁজ না মেলায় একাধিক প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে। অনেকেই মনে করছেন, এতক্ষণে মোবাইলের একাধিক অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কিন্তু মোবাইলে কি এমন রয়েছে! যার জন্য জেসিবি আনতে হল? মোবাইলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে, এই ভেবে পুকুরে চিরুনিতল্লাশি শুরু করেন গোয়েন্দারা।

তিনটি পাম্প বসিয়ে পুকুর ছেঁচে ফেলা হয়েছে। রবিবার সকাল ৭ টা ২০ নাগাদ সমস্ত জল তুলে নেওয়ার পর ৭ টা ৩৫ মিনিট নাগাদ একটি মোবাইলের খোঁজ পান গোয়েন্দারা।কিন্তু অন্য মোবাইলটির হদিস মেলেনি। তার জন্যই জেসিবি এনে পুকুরের মাটি কাটা শুরু হয়েছে। রবিবার বিকেল ৪টে নাগাদ নিয়ে আসা হয় জেসিবি।
জীবনকৃষ্ণের মোবাইল পেতে এবার জেসিবি আনল সিবিআই, শুধুই কী ফোন রয়েছে?

সিবিআইয়ের অফিসাররা মনে করছেন, পুকুরের পাঁকেই রয়েছে ফোন। সেকারণে একেবারে পাঁক তুলে মোবাইল খোঁজা হবে। সিবিআই এক প্রকার নিশ্চিত যে, ওই পুকুরেই আছে বিধায়কের মোবাইল এবং পেনড্রাইভ। প্রথম মোবাইলটি উদ্ধারের পর ঘটনাস্থলে পৌঁছন সিবিআইয়ের প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। তিনি জল থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনটি পরীক্ষা করে দেখছেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী ওই পুকুর ঘিরে রেখেছে বলে খবর। কাউকে পুকুরের আশেপাশে আসতে দেওয়া হচ্ছে না।









