নজরবন্দি ব্যুরোঃ সারদা, নারদার পর নিয়োগ দুর্নীতি। তৃণমূল নেতাদের কার্যত ঘুম কেড়ে নিয়েছে কেন্দ্রিয় গোয়েন্দা সংস্থা গুলো। সারদা, নারদার তদন্ত যে গতি নিয়েছিল সেই গতি এখন গতি শূন্য হয়ে থমকে রয়েছে। তবে ফাইল যে বন্ধ হয়নি তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু সারদা এবং নারদার পর নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ড যে এতটুকুও স্বস্তি দিচ্ছেনা তৃণমূল নেতাদের। রাজ্যের প্রায় পুরো শিক্ষা দফতরই এখন সময় কাটাচ্ছে জেলে।
আরও পড়ুনঃ জীবনকৃষ্ণকে গ্রেফতার শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা, সিবিআইয়ের দিকে নজর রাখছে তৃণমূল



এরই মধ্যে কুন্তলের সৌজন্যে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের না জড়িয়ে গিয়েছে নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে। কি হবে ভবিষ্যৎ? প্রশ্ন যখন সামনে তখন উত্তর কিছুটা দিতে পারেন যে দুজন তাঁদের একজন হলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আর অন্যজন হলেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। প্রথমজনের মতামত নেওয়া সম্ভব নয়, তাই নজরবন্দি যোগাযোগ করেছিল আইনজীবী সাংসদ বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যর সাথে। বিকাশ বাবু যা বললেন তাতে ঘুম উড়ে যাওয়ার কথা তৃণমূলের।

বিকাশ বাবুকে ফোন করা হলে তিনি নজরবন্দি কে জানান, কেন্দ্রিয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি বা সিবিআই রয়েছে প্রধানমন্ত্রী বা পিএমও-র আওতায়। এই দুই সংস্থা ইডি বা সিবিআই এর স্বাধীন ভাবে কাজ করার পথে পিএমও বা কেন্দ্র যদি হস্তক্ষেপ না করে তাহলে দুর্গতি আছে তৃণমূল নেতাদের কপালে। যে সমস্ত নেতা মন্ত্রী বিধায়ক সাংসদরা নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িয়ে তারা পার পাবেন না কেউ।


কেন্দ্র হস্তক্ষেপ না করলে পুরো তৃণমূল দলটাই জেলে যাবে, নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে বললেন বিকাশ

বিকাশ বাবু সুপ্রিম কোর্টের কথা তুলে আনেন বক্তব্যে। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে এখন। কিন্তু মামলার শুরুতেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মন্তব্য করেছেন, এত বড় স্ক্যাম শিক্ষাক্ষেত্রে আগে কখনও হয়নি। সব মিলিয়ে বিকাশ বাবু কনফিডেন্ট, যদি হাইকোর্টের নির্দেশে হওয়া ইডি-সিবিআই তদন্তের গতিপথ কেন্দ্র রুদ্ধ না করে তাহলে কপালে দুঃখ আছে দুর্নীতিকারীদের।







