নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রায় ২৪ ঘন্টা ধরে বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধুমাত্র কী নিয়োগ দুর্নীতির বিরাট তথ্য সিবিআইইয়ের হাতে উঠে আসতে চলেছে? কারণ, জীবনকৃষ্ণের বাড়ি থেকে এসএলএসটি চাকরি প্রার্থীদের একাধিক নথি। একইসঙ্গে তাঁর কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও নোটপ্যাড বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেখান থেকেই নিয়োগ দুর্নীতির বিরাট তথ্য উঠে আসতে পারে, এমনটাই মনে করা হচ্ছে। জীবনকৃষ্ণের বাড়িতে তথ্যে পাহাড় মিলতেই ঘুম উড়েছে তৃণমূলের। অনেকেই মনে করছেন, জীবনকৃষ্ণকে গ্রেফতার শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা।


নিয়োগ দুর্নীতিতে প্রথমে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছিলো তদন্তকারী সংস্থা। এরপর প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করা হয়। তিনিও নদীয়া জেলার পলাশিপাড়ার বিধায়ক। এরপর হুগলির বলাগড়ের দুই নেতা শান্তনু এবং কুন্তল এখনো জেল হেফাজতে। এর মধ্যে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, শান্তনু মুখ্যোপাধ্যায়, কুন্তল ঘোষদের বহিষ্কার করেছে তৃণমূল। কিন্তু মানিক ভট্টাচার্যদের নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি ঘাসফুল শিবির।

কিন্তু গতকাল জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে সিবিআই উপস্থিত হয়ে বিরাট তথ্য সংগ্রহ করেছে। এরই মধ্যে চরম নাটকিয় পর্ব চলে। কখনও পাঁচিল টপকে তদন্তকারী অফিসারদের হাত থেকে বাঁচার চেষ্টা করেছেন তৃণমূল বিধায়ক। আবার কখনও তদন্তকারী অফিসারদের হাত থেকে মোবাইল নিয়ে ফেলে দিয়েছেন। আ তন্য তন্য করে খুঁজে বেড়াচ্ছে সিবিআই। একেবারে পাম্প করে জল বের করে চলছে মোবাইল খোঁজার কাজ।
জীবনকৃষ্ণকে গ্রেফতার শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা, নজর রাখছে তৃণমূল

তথ্য লোপাট করার জন্য জীবনকৃষ্ণ সাহা একাধিক পন্থা অবলম্বন করেছিলেন। এমনটা জানতে পেরেছি তদন্তকারী সংস্থা। এমনকি বিধায়কের রঘুনাথগঞ্জের শ্বশুরবাড়ি থেকে বিরাট তথ্য পাওয়া গেছে। এমনটাই খবর তৃণমূল সূত্রে। পরিবার সূত্রে রেশন ডিলারের ব্যবসা থেকে বিধায়ক হওয়া জীবনের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, জীবনকে গ্রেফতার শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা।









