শুক্রবার আলিপুর আদালতে ছিল শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বিবাহ বিচ্ছেদ মামলার শুনানি। এদিন শোভনের হয়ে সাক্ষ্য জমা দিতে উপস্থিত ছিলেন বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতে উপস্থিত ছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী এবং বেহালা পূর্বের বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়। এত তাড়াতাড়ি শোভনকে ছাড়তে নারাজ রত্না। স্পষ্ট জানালেন তিনি।
তাঁদের এক একটি মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে স্ফুলিঙ্গের আকার নিয়েছে। তবে নিজেদের রংচঙে জীবনযাপন দিয়ে বারবার আকর্ষিত করেছেন যুগল। কখনও ম্যাচিং ড্রেস, কখনও রথে চড়ে শহর ঘুরে, আবার কখনও দোলনায় চড়ে প্রেমের মুহুর্ত সবটাই তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করেছে আম জনতা।
একই ছবিতে ধরা পড়েছেন মুকুল রায় এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়। বঙ্গ রাজনীতিতে তখন থেকেই শোভন চট্টোপাধ্যায়ের প্রত্যাবর্তন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এবার, তা নিয়েই মুখ খুললেন শোভন স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, শোভন ফিরলেও ক্ষমা করবে না মানুষ।
নামের সঙ্গেই জড়িয়ে রখেছেন একে অপরের নাম। নিজেদের সম্পর্কের দৃঢ়তার প্রমাণ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বাংলার চর্চিত যুগল শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার শোভন চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিনে আলতো ঠোঁটের ছোঁয়ায় বোঝাতে চাইলেন তাঁরা এক এবং অভিন্ন। সেইসঙ্গে ক্যাপশনে লিখলেন “হ্যাপি বার্থডে মাই লাইফলাইন”। আহ্লাদে আটখানা হয়ে শোভন বোঝালেন বয়সটা সংখ্যা মাত্র।
বুধবার দুপুরে নবান্নে তাঁর ঝটিকা সফর রাজ্য রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে গিয়েছিল। সোজা ১৪ তলায় গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেন, মমতাদির লক্ষ্য বাস্তবায়িত করাই কাজ এখন তাঁর।
হঠাৎ নবান্নে শোভন-বৈশাখী, তৃণমূলে ফিরছেন চর্চিত যুগল! বুধবার দুই জনের নবান্ন সফর ঘিরে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়? সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলে তৃণমূলে ফেরার বিষয়ে আলোচনা হবে।
আদরের জামাইকে নিজে হাতে পঞ্চব্যঞ্জন রেঁধে খাওয়ানোর সুযোগ শাশুড়ি মায়েদের জন্য। এবার শোভনের জন্য জামাই ষষ্ঠী পালন করলেন বৈশাখীর মা। রীতি মেনে সমস্ত আয়োজন। একেবারে নিয়মমাফিক সমস্ত কাজ। স্বাদে-আহ্লাদে গদগদ শোভন, নিজে হাতে মিষ্টিমুখ করিয়ে দিলেন বৈশাখী।