নজরবন্দি ব্যুরোঃ বড় দিন মানেই কেকের উৎসব। বড় দিনের উৎসবের জোয়ারে গা ভাসিয়েছে শহরবাসী। তেমনই বছর শেষে নিজেদের আলাদা করে রাখলেন না চর্চিত যুগল শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। বড় দিনের আলোক ঝলমলে রাতে একে অপরকে খাইয়ে দিলেন কেক। সেই ছবি স্যোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করতেই ফের দুই জনকে নিয়ে বাঙালির চর্চা আর থামছে না।

সক্রিয় রাজনীতি থেকে দীর্ঘ সময় ধরে নিজেদের সরিয়ে রেখেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁদের এক একটি মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে স্ফুলিঙ্গের আকার নিয়েছে। তবে নিজেদের রংচঙে জীবনযাপন দিয়ে বারবার আকর্ষিত করেছেন যুগল। কখনও ম্যাচিং ড্রেস, কখনও রথে চড়ে শহর ঘুরে, আবার কখনও দোলনায় চড়ে প্রেমের মুহুর্ত সবটাই তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করেছে আম জনতা। এখন বছর শেষে কেক মাখামাখিতে মশগুল শোভন-বৈশাখী। সেটা কি আর বাদ যায়?

মাথায় টুপি পড়ে সান্টার কায়দায় বৈশাখীর জীবনে খুশির ঝুলিতে ভরিয়ে দিলেন শোভন। একইভাবে নিজের পরিচিতদের বড় দিনের উপহারে ভরিয়ে দিলেন বৈশাখী। ঠিক যেভাবে রত্নার অনুপস্থিতিতে শোভনের কঠিন সময়ের বন্ধু হয়ে তাঁকে নতুন জীবনের উপহার দিয়েছিলেন।

কিন্তু এই রংচঙে জীবনযাপন থেকে রাজনীতিতে ফের কামব্যাক করবেন শোভন-বৈশাখীরা? এই প্রশ্নের উত্তরে তাঁদের জবাব, বাংলায় কেউ অরাজনৈতিক নয়। কারণ, কয়েক মাস ধরে একাধিক বার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ সেটার প্রমাণও দিয়েছে। অনেকে বলছেন, গোলপার্কের ফ্ল্যাটে বসে রাজনীতির ঘুটি সাজাতে শুরু করেছেন শোভন। সময় হলেই ময়দানে নামবেন তিনি।
বছর শেষে কেক মাখামাখিতে মশগুল শোভন-বৈশাখী, চোখ ভরে দেখল বাঙালি

কিছু বছর আগে মমতার সঙ্গে সম্পর্কের তিক্ততা দেখা দিতেই মন্ত্রীত্ব সহ দলীয় পদ ত্যাগ করেছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। তার কিছুমাস পরেই বান্ধবী বৈশাখীকে সঙ্গে নিয়ে দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে গিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। পরে সঠিক সম্মান না পেয়ে দলবদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দুই জনেই। এখন আবার তৃণমূলে ফেরার জল্পনা শুরু হয়েছে।






