শক্তিগড়ে ভর সন্ধ্যেবেলায় খুন হয়েছিলেন বিজেপি নেতা রাজু ঝা। Raju Jha –র খুনে গ্রেফতার আরও দুই। ধৃতদের নাম ইন্দ্রজিৎ গিরি ও লালবাবু কুমার। পুলিশ সূত্রে খবর, রাঁচির জগন্নাথপুরে বাড়ি ভাড়া নিয়ে ছিল তাঁরা। স্থানীয় থানার সাহায্য নিয়ে দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
১ এপ্রিল শক্তিগড়ে একটি দোকানের সামনে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হয়ে বিজেপি নেতা রাজু ঝাকে। সেই ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় রাজু ঝার খুনের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, দূর্গাপুর থেকে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তির নাম অভিজিৎ মণ্ডল। তিনি পানাগড়ের বাসিন্দা।
দূর্গাপুরের বিজেপি নেতা রাজু ঝায়ের রহস্য মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরতে প্রতে রহস্যের জট খুলতে শুরু করেছে। গতকালই রাজু ঝায়ের সঙ্গে আবদুল লতিফের উপস্থিতি নজরে এসেছিল। এমনকি সেই ভিডিও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হতে শুরু করেছিল। জানা গেছে, রাজু খুনের আগে গাড়িতে ছিলেন আবদুল। কিন্তু ঘটনার পর কোথায় যান তিনি? তা নিউয়ে প্রশ্ন ঘনাতে শুরু করেছে।
দুর্গাপুরের বিজেপি নেতা রাজু ঝাকে খুনের ঘটনায় বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। ঘটনার পিছনে কী কারণ ছিল? রাজুকে হত্যার পিছনে কাদের হাত রয়েছে? একাধিক প্রশ্ন ক্রমাগত মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে বিজেপিতে যোগদানকারী রাজুর মৃত্যুর পরেই একের পর বিস্ফোরক ট্যুইট রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র। একইসঙ্গে তাঁর প্রশ্ন, বিজেপিতে যোগদানকারী কয়লা মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কেন তদন্ত হচ্ছে না?
এরপর শনিবার রাজু ঝাঁ খুন হতেই রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, ৩ তারিখ রাজুকে তলব করেছিল ইডি। তার আগে মুখ বন্ধ করে দেওয়ার জন্যেই খুন করা হয়েছে রাজুকে। এর পিছনে বড় চক্রান্ত রয়েছে বলে দাবি করছেন তিনি।
কয়লা কাণ্ডে অর্জুন ঘনিষ্ঠ বিজেপি নেতাকে নিয়ে চরম বিপাকের মুখে পড়ল বিজেপি নেতৃত্ব। সোমবার সকালে পুরোনো একটি মামলায় হাজিরা দিতে গিয়ে বাঁকুড়া আদালতে গ্রেফতার হন কয়লা মাফিয়া এবং BJP নেতা রাজু ঝা। তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।