নজরবন্দি ব্যুরোঃ দূর্গাপুরের বিজেপি নেতা রাজু ঝায়ের রহস্য মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরতে প্রতে রহস্যের জট খুলতে শুরু করেছে। গতকালই রাজু ঝায়ের সঙ্গে আবদুল লতিফের উপস্থিতি নজরে এসেছিল। এমনকি সেই ভিডিও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হতে শুরু করেছিল। জানা গেছে, রাজু খুনের আগে গাড়িতে ছিলেন আবদুল। কিন্তু ঘটনার পর কোথায় যান তিনি? তা নিউয়ে প্রশ্ন ঘনাতে শুরু করেছে।


সূত্রের খবর, আবদুল লতিফের গাড়ির চালক নুর হোসেন তাঁর বয়ানে লিখেছেন, গাড়িতে ঘটনার কিছু আগে পর্যন্তও আব্দুল লতিফ ছিলেন। কিন্তু খুনের পর আর লতিফকে দেখতে পাননি তিনি। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার সময় গাড়িতে ছিলেন আবদুল। বিজেপি নেতা রাজু ঝা সামনে পাশের আসনে বসেছিলেন। তাই ঘটনায় সবথেকে বড় সাক্ষী উপস্থিত ব্রতীন মুখ্যোপাধ্যায় এবং গাড়ির চালক। গুলির ঘায়ে আহত হয়েছিলেন ব্রতীন।

জানা গেছে, ইলামবাজারের বাসিন্দা নুর হোসেন গত পাঁচ বছর ধরে আবদুল লতিফের গাড়ি চালচ্ছিলেন। দুপুর দেড়টা নাগাদ আবদুলকে নিয়ে দূর্গাপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ব্রতিনকে নিয়ে তাঁরা পৌঁছন রাজু ঝার ফুরচুন হোটেলে। সেখানে ব্রতিন ও আব্দুল লতিফ নেমে যান। এরপর সকলে মিলে ৬ টা ১০ মিনিটে রাজু কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
রাজু খুনের আগে গাড়িতে ছিলেন আবদুল, এফআইআরে চাঞ্চল্যকর তথ্য

তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর স্থানীয়রা ছুটে আসেন। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে পুলিশ। সেসময়ে আব্দুল লতিফ কার্যত গায়েব হয়ে গিয়েছিলেন। সেটা এফআইআরে লেখা রয়েছে। হঠাৎ করে আব্দুল লতিফের উধাও হয়ে যাওয়া এই হত্যাকাণ্ডের সবথেকে বড় রহস্য বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।









