আরজি কর হাসপাতাল চত্বরে প্রতীকী যন্ত্রণাদীর্ণ নারীমূর্তি স্থাপনের প্রস্তাব দেন আন্দোলনকারীরা, যা ২ অক্টোবর স্থাপিত হতে পারে। এই আন্দোলন শুধু বিচার চাওয়ার নয়, সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে অব্যাহত থাকবে বলে জানান জুনিয়র ডাক্তাররা।
নিহত যুবকের মা হাহাকার করে জানালেন, যারা ধর্ষণ খুন কাণ্ডের সুবিচার চেয়ে চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছেন না। যাঁদের জন্যে অকারনে মৃত্যু হচ্ছে নিরাপরাধ মানুষের, কোল খালি হচ্ছে মায়ের। সেইসব চিকিৎসকদের বিচার করবে কে?
মেয়ো রোডে তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের সমাবেশ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘‘যে আপনাকে রোজ কামড়াচ্ছে, তাকে কামড়াবেন না। কিন্তু ফোঁস তো করতে পারেন।’’ দলীয় নেত্রীর কথা মতো ‘ফোঁস’ করতে গিয়েই বিতর্কে জড়ালেন অতীশ।
আরজি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার প্রতিবাদে তোলপাড় গোটা রাজ্যে। স্বাধীনতার আগের রাতে ওই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে রাতে পথে নামতে চলেছেন মহিলারা। যাদবপুর, কলেজ স্ট্রিট এবং একাডেমি চত্বরে মূলত জমায়েত হবে।
মঙ্গলবারই কলকাতা হাই কোর্ট আরজি কর-কাণ্ডের তদন্তভার সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই অনুযায়ী, দিল্লি থেকে ২৫জন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল কলকাতায় এসেছেন।
মঙ্গলবার বিকেলে শ্যামবাজার মোড় থেকে আরজি কর পর্যন্ত মিছিলের ডাক দিয়েছিলেন বিদ্বজ্জনরা। শারীরিক অসুস্থতার কারণে অপর্ণা সেন মিছিলে না হেঁটে সরাসরি পৌঁছে যান আরজি করে।
শুক্রবার হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে উদ্ধার হয়েছিল এক রক্তাক্ত তরুণীর দেহ। ময়নাতদন্তের পর জানা যায়, সেই তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সেই সেমিনার হলের পাশের একটি ঘর ভাঙার উদ্যোগ নিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হঠাৎ করে কেন এই সিদ্ধান্ত?