কয়েক মাস পরই লোকসভা নির্বাচন। ভোটের আগে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আলোচনা শুরু করেছে। এর দুদিন আগেই প্রিয়াঙ্কার স্বামী রবার্ট বধরার নাম চার্জশিটে উল্লেখ করেছিল ইডি।
আর এর ফলে একের পর এক রাজ্যে প্রচার চালিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা আর তারই ফল পেয়েছে দল। আর সেই কারনেই দলের অনেকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাহুলের চেয়ে প্রিয়াঙ্কাকেই এগিয়ে রাখছেন দলের অনেক নেতাই।
কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় করেছে কংগ্রেস। ২২৪টি আসনের মধ্যে পেয়েছে ১৩৫টি আসন। এবার সরকার গঠনের পালা। বিধায়ক যাতে কেনা-বেচা না হয়, তার জন্য অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য মন্ত্রীদের বাছাই করে নিয়ে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে তৎপর কংগ্রেস নেতৃত্ব।
কংগ্রেস দরিদ্রদের সমর্থনে দাঁড়িয়েছিল এবং তারই ফল কর্নাটক নির্বাচনের জয় বলে জানিয়েছেন রাহুল গান্ধীও। তিনি বলেন, “কর্নাটকে গরিবরা পুঁজিপতিদের পরাজিত করেছে। এই নির্বাচন সম্পর্কে আমি সত্যিই যেটা পছন্দ করেছি তা হল, আমরা ঘৃণার সঙ্গে যুদ্ধ করিনি। আমরা নির্বাচন করেছি ভালোবাসা দিয়ে।”
আগামী ১০ তারিখ কর্ণাটকে বিধানসভা নির্বাচন। সোমবার ছিল নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিন। ওইদিনই বিশাল রোড শো করেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। অসংখ্য কর্মী সমর্থকরা জমায়েত করে। রোড শো শেষে কংগ্রেস নেত্রী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, "আমরা আশাবাদী। আমি নম্বরের ভবিষ্যৎবাণী করতে পারি না। কিন্তু আমরা মানুষের সাড়া পেয়েছি। কর্ণাটকের মানুষ দুর্নীতির শেষ দেখতে চায়।"
কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তেহারে ক্ষমতায় এলে বজরং দল নিষিদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেয়। এনিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। বিজেপি এই ইস্তেহারকে হিন্দু বিরোধী বলেও কটাক্ষ করে। নরেন্দ্র মোদী হাত শিবিরকে নিশানায় এনে বলেছিলেন, কংগ্রেস ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতিতে পরিণত হয়েছে। আগামী ১৩ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশ হয়।