নদীর জলের স্নিগ্ধতা এবং চারিদিকে সবুজের সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করে তুলবে। যারা ব্যস্ততা ভুলে কয়েকদিনের মানসিক শান্তি খুঁজতে বেড়াতে যেতে চান তাঁদের জন্য আদর্শ ঠিকানা এই পাহাড়ি গ্রাম।
কয়েকদিনের জন্য কোথাও একটা ঘুরতে যেতে চাইছেন! কিন্তু কোথায় যাবেন ঠিক করে উঠতে পাচ্ছেন না? জানেন কি দেশের মধ্যেই রয়েছে এমন কয়েকটি অফবিট ডেস্টিনেশন। আজ এই প্রতিবেদনে জেনে নিন এমনই কয়েকটি গন্তব্যের ঠিকানা।
দাবদাহে পুড়ছে বাংলা। এই সময়ে একঘেয়ে জীবন থেকে বেরিয়ে অনেকেই চাইছেন পাহাড়ে গিয়ে ছুটি কাটাতে। কিন্তু দার্জিলিং, কালিম্পং-এর মত চেনা জায়গায় আর ফিরতে চান না? আবার অনেকেই আছেন যারা এই ছুটিতে কোনও এক শান্ত স্নিগ্ধ পরিবেশে কোলাহল থেকে দূরে গিয়ে ক্লান্তি দূর করতে চাইছেন। তবে তাদের জন্য রইল আজকের প্রতিবেদন।
জুন মাসের শুরু থেকেই গরম বাড়ছে। দহনজ্বালায় ভুগছে বঙ্গবাসী। বর্ষার প্রবেশ ঘটতেও এখনও দেরি আছে। এইসময় দূরে হোক বা কাছে কোথাও একটা ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন? তাহলে চলে আসুন উত্তরবঙ্গের এই ছোট গ্রামে। মানুষের বেশি ভিড় নেই, শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ সব ক্লান্তি দূর করে দেবে।
কোলাহলহীন পরিবেশে মন জুড়াবে পর্যটকদের। অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ হলে এখানে ঘুরতে এসে ট্রেকিং করতে পারেন পর্যটকরা। বিজনবাড়িতে রাত্রিবাসের জন্য কয়েকটি হোম স্টের ব্যবস্থা রয়েছে।
রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা অর্জন করার সুযোগ রয়েছে। সন্ধ্যে নামলেই ক্যাম্প ফায়ারের সঙ্গে বার্বিকিউ চিকেন উপভোগ করতে পারবেন। ক্যাম্পে গিয়ে আতিথেয়তায় মন ভরবে। এখানে আসতে হলে আগে থেকে বুকিং করে রাখাই ভালো। থাকার পাশাপাশি চারবেলা খাওয়া খরচ পড়বে মোট ১৫০০ টাকা।
ওড়িশার বালাসোরের কাছে অবস্থিত বাগদা সি বিচ। এর সম্পর্কে অনেকেই হয়তো জানেন না। তাই দিঘা, পুরী, মন্দারমণির মত ভিড় হয় না এখানে। শান্ত-নিরিবিলি পরিবেশে সমুদ্রের পাড়ে সময় কাটাতে পারবেন। বাগদা সি বিচকে 'ভার্জিন সি বিচ' বলা চলে। সি বিচ জুড়ে দেখা মিলবে ঝাঁকে ঝাঁকে লাল কাঁকড়ার। বালাসোর শহর থেকে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত আজকের গন্তব্য।