নজরবন্দি ব্যুরো: জুন মাসের শুরু থেকেই গরম বাড়ছে। দহনজ্বালায় ভুগছে বঙ্গবাসী। বর্ষার প্রবেশ ঘটতেও এখনও দেরি আছে। এইসময় দূরে হোক বা কাছে কোথাও একটা ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন? তাহলে চলে আসুন উত্তরবঙ্গের এই ছোট গ্রামে। মানুষের বেশি ভিড় নেই, শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ সব ক্লান্তি দূর করে দেবে।
আরও পড়ুন: দিঘা-মন্দারমণিতে ব্যাপক ভিড়! নির্জনতা খুঁজতে আসুন এই সমুদ্র সৈকতে


কালিম্পংয়ের কাছে রয়েছে আজকের গন্তব্য চিসাং ভ্যালি। কালিম্পং জেলার ছোট্ট গ্রাম এটি। এখনও তেমনভাবে জনপ্রিয় হয়নি বলে পর্যটকদের তেমন ভিড় চোখে পড়ে না। তাই প্রকৃতির মাঝে নির্জনতা পছন্দ হলে চলে আসতে পারেন চিসাং ভ্যালি। এই গ্রামের একদিকে কাঞ্চনজঙ্ঘা অন্যদিকে ভুটান। চিসাং ভুটান সীমান্তে অবস্থিত বলে এখানে সময় আধ ঘন্টা এগিয়ে। কারণ ভুটানের সময় ভারতের থেকে আধ ঘণ্টা এগিয়ে রয়েছে। এখানে তেমন ফোনের টাওয়ার পাওয়া যায় না। তবে ভুটানের সিম থাকলে টাওয়ার পেয়ে যাবেন। এককথায় কয়েকদিনের ছুটিতে হাতের মুঠোফোনটিও একটু বিশ্রাম পাবে।

চিসাং ঘুরতে এলে এখানকার দর্শনীয় স্থান হল জিরো পয়েন্ট। দুই দেশের সীমান্ত এখানে মিশে গিয়েছে। জিরো পয়েন্ট থেকে ভুটান পাহাড় এবং ভুটানের সীমান্ত পরিষ্কার দেখতে পারবেন। এখান থেকে নামার সময় কিছুটা সময় কাটিয়ে নিতে পারেন মূর্তি নদীর তীরে। চিসাং থেকে দেখা যায় নাথুলা রেঞ্জ এবং জর্থাং। এখানকার পরিবেশ একেবারেই অন্যরকম। ব্যস্ততা কাটাতে চাইলে একবার ঘুরে আসতে পারেন।



কাফের গাঁও থেকে চিসাং ভ্যালি আসা যায়। কালিম্পং থেকে গরুবাথান হয়ে চালসা হয়েও এখানে আসতে পারেন। চালসা ভ্যালি থেকে চাপামারি ফরেস্টের মধ্যে দিয়ে চিসাং ভ্যালি যাওয়া যায়। এই পথে নতুন অভিজ্ঞতার সাক্ষী হবেন পর্যটকরা। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে নেমে গাড়ি ভাড়া করে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে খরচ হতে পারে প্রায় ৫ হাজার টাকা। মাল জংশন থেকে ২৫০০ টাকা খরচ করে চিসাং ভ্যালি আসা যায়।
এক চিলতে স্বর্গ, ঘুরে আসুন চিসাং ভ্যালি








