গত বছর রানি রাসমণি রোডে আইএসএফের যে সভা হয়েছিল, সেখানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। আইন শৃঙ্খলার অবনতির আশঙ্কা দেখিয়ে সভার অনুমতি দেয়নি পুলিশ। অনুমতি না পেলে এরপর কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta high Court) মামলা করে নওশাদের দল।
সংঘর্ষের জেরে এখনও পর্যন্ত ৪ জন তৃণমূল কর্মীর আহত হওয়ার খবর সামনে এসেছে,তাঁদের একজন গুলিবিদ্ধ বলেও জানা গিয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।
বাংলায় লোকসভার প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রভাব পড়েছে। এই আবহে ফের একবার নওশাদ সিদ্দিকি ও শওকত মোল্লার তরজা প্রকাশ্যে দেখা গেল। ডায়মন্ড হারবারে ভোটে দাঁড়ালে নওশাদের জমানত বাজেয়াপ্ত হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তৃণমূল বিধায়ক তথা ভাঙড় কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক শওকত মোল্লা।
রেশন দুর্নীতিতে তৃণমূলের বিধায়ক শওকত মোল্লার নাম জড়িত থাকার সন্দেহ প্রকাশ করেছেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। এর পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তৃণমূল বিধায়ক।
এদিন সকালে স্থানীয় তৃণমূল এটা খইরুল ইসলামের হাত থেকে দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে এই যোগদান কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। এরফলে নিজেদের গড়ে ক্ষয়ের মুখে পড়ল ভাইজানের দল বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর এই দলবদল বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।