পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাস্থলের পাশে একটি চাষের জমিতে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল হত্যাকারীরা। সবজি ক্ষেতে কাজ করার অভিনয় কছিল তারা। এরপর স্বপন মাঝি, ঝন্টু হালদার এবং পাঁচু শিকারিরা আসতেই তাঁদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
বৃহস্পতিবার সাত সকালেই প্রকাশ্য দিবালোকে খুন তিন তৃণমূল কর্মী। সেই ঘটনায় ক্যানিং এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত তিন তৃণমূল কর্মীর নাম স্বপন মাঝি, ঝন্টু হালদার এবং পাঁচু শিকারি। নিহত স্বপন মাঝি তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য বলে জানা গেছে। তিন জনকেই গুলি করে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে ।
দু’দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর বাড়ি থেকে কিছু দূরে পাট ক্ষেতে উদ্ধার তৃণমূল নেতার দেহ। দক্ষিণ দিনাজপুরের তপনের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃত তৃণমূল নেতার নাম আদেশ বর্মন। আনুমানিক বয়স ৫৫ বছর। তৃণমূলের বুথ সমিতির সহ-সভাপতি ছিলেন তিনি।
সিঙ্গেল বেঞ্চের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের হল ডিভিশন বেঞ্চে। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করেন অন্যতম অভিযুক্ত ষষ্ঠী গায়েন। চলতি সপ্তাহে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা। ফলে তপন দত্তের খুনের মামলায় নতুন জটিলতা দেখা দিল।
প্রসঙ্গত, ১৯৮৮-এর ২৭ ডিসেম্বর পটিয়ালার রাস্তায় গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে গুরনাম সিংহ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন সিধু ও তাঁর বন্ধু রুপিন্দ্র সিংহ সান্ধু। অভিযোগ, গুরনামকে গাড়ি থেকে জোর করে টেনে বার করে মারধর করেন তাঁরা। ওই ঘটনার কয়েক দিন পরে মারা যান গুরনাম।
কাশীপুরের বিজেপির যুব নেতা অর্জুন চৌরাসিয়ার মৃত্যু ঘিরে তোলপাড় হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। সেই ঘটনার ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দাবী করা হয়েছে, খুন নয়, বরং আত্মহত্যা করেছেন অর্জুন। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে সেই রিপোর্ট জমা পড়েছে।
সৌমেন দাসের আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় বলেন, ঘটনার সূত্রপাত ২০২০ সাল থেকে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে সৌমেনের মৃত্যু হয়েছে। ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। যা অনেক আগে হওয়ার ছিল, তা এখন হল। তৃণমূল কর্মী খুনে গ্রেফতার মদন ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন কাউন্সিলর।