মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি কি বিধায়ক পদে থাকতে পারেন? এই প্রশ্ন রাজ্য রাজনীতিতে ঘোরাফেরা করতে শুরু করেছে। অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনটা জানিয়েছেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে কি পঞ্চায়েত নির্বাচনের সঙ্গেই মুকুলের কেন্দ্র মুকুলের কেন্দ্রে উপনির্বাচন! জোরালো হচ্ছে জল্পনা।
মুখ খুললেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। পাশাপাশি একাধিক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ! বললেন, "ছেলের অত্যাচারেই বাড়ি থেকে চলে গেছেন মুকুল রায়। তাঁর এই দিল্লির যাত্রার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই। এখন সব কিছু বিজেপির ঘাড়ে চাপানো হচ্ছে।"
মুকুল রায় নিজেও জানিয়েছেন, বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে সবুজ সংকেত মিললেই কাজ শুরু করবেন তিনি। এমনকি তিনি যে বিজেপিতে রয়েছেন তা স্পষ্ট করেছেন। রাজ্য রাজনীতির বিরাট চাপানুতোরের মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এটা ছোট ব্যাপার। আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি না। এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। তবে মিসিং অভিযোগটা গুরুত্বপূর্ণ।
এদিন ট্যুইট করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন,"চাচা আপন প্রাণ বাঁচা" এখন পুরনো হয়ে গেছে, তোলামূলের সংস্করণ হলো - "যখন পা দুটো ছিল নড়বড়ে, আঙ্গুল ধরতেন বাবা, আজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরে, সেই বাবা'ই নাকি দুর্নীতিগ্রস্ত-হাবা গোবা ”।
এদিকে দিল্লিতে বসে মুকুল রায় জানিয়ে দিলেন, বিজেপির তরফে জানানো হলেই কাজ শুরু করে দেবেন তিনি। একইসঙ্গে স্পষ্ট করলেন আমি নিজের ইচ্ছায় এসেছি। আমাকে কেউ অপহরণ করেনি।