হাসপাতালে মুকুল রায়কে দেখে দুঃখ প্রকাশ করেন কুনাল ঘোষ। কুনাল তাঁর এক্সহ্যান্ডেলে জানিয়েছেন, "মুকুল রায়কে দেখে এলাম। খুব খারাপ লাগছে। আজ তিনি ভেন্টিলেশনের বাইরে। কিন্তু মস্তিষ্ক অচল। শুভ্রাংশু ডাকল। সাড়া দিল না।"
দীর্ঘ বেশ কয়েক দিন ধরেই অসুস্থ একদা বঙ্গ রাজনীতির পোড়খাওয়া এই রাজনীতিক। গত কয়েক বছর ধরে উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়ার বাড়িতেই বন্দি মুকুল। সেভাবে আর প্রকাশ্যে দেখা যায় না তাঁকে। চেহারাও ভেঙে পড়েছে মুকুলের। এর মধ্যেই মুকুল রায়ের চোট পাওয়ার খবর প্রকাশ্যে
বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। সেই রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন বোর্ডের চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, কাঁচরাপাড়ায় যুগল ভবনের দোতলায় থাকেন মুকুল রায়। জানা গিয়েছে, ভারসাম্য হারিয়ে নিজের ঘরেই পড়ে গিয়েছিলেন কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক।
রাজ্য-রাজনীতির 'চাণক্য' হিসাবে পরিচিত মুকুল রায়। তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্থানের নেপথ্যে মুকুলের অগ্রণী ভূমিকা ছিল বলেই মনে করেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
বৃষ্টিতে ভিজে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন ঝাঁঝালো বক্তব্য রাখছেন। বক্তব্য প্রায় শেষের পথেই। এমন সময় আচমকা ধর্মতলায় দেখা গেল চাণক্যকে। বঙ্গ রাজনীতিতে চাণক্য নামে একজনই পরিচিত, তিনি হলেন মুকুল রায়। আজ তৃণমূলের শহিদ দিবসের শেষলগ্নে পুত্র শুভ্রাংশু রায়কে নিয়ে উপস্থিত হলেন তিনি। দূর থেকে কি মমতার ভাষণ শুনে গেলেন মুকুল?
সামনেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। বঙ্গে একাধিক দুর্নীতি কাণ্ডে জড়িয়ে গিয়েছেন শাসক দলের একাধিক হেভিওইয়েট। তার আগে কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায়ের হঠাৎ এতদিন দিল্লিতে কাটিয়ে আসা আগামী দিনে বঙ্গ রাজনীতিতে কোনও প্রভাব ফেলে কি না, সেই দিকেই নজর রাজ্য রাজনীতির কারবারিদের।
১৭ এপ্রিল সকলকে চমকে দিয়ে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়। তারপর থেকেই বঙ্গ রাজনীতিতে প্রসশ্ন উঠেছিল কোন ফুলে রয়েছেন মুকুল? এবিষয়ে অবশ্য মুকুল নিজেই জানিয়েছিলেন, বিজেপির কেন্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। কিন্তু ১২ দিন পরেও কোনও লাভ হল না। শনিবার দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরছেন মুকুল রায়।