ঘেঁটে গেল জোট! কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট ঐক্যবদ্ধভাবে লোকসভা নির্বাচনে লড়লেও আইএসএফ-এর সঙ্গে 'চুক্তি' সম্ভব হয়নি। বেশিরভাগ কেন্দ্রেই এককভাবে লড়াই করবে আইএসএফ। আর জোট বাস্তবায়িত না হওয়ার পরেই কিন্তু সিপিআইএম-এর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী।
আর এদিন অধীরকে কেউ আগে থেকে না চিনলেই ধরতেই পারতেন না যে তিনি কংগ্রেস নেতা। কাস্তে-হাতুড়ি-তারার সাদা উত্তরীয় গলায় দিয়ে অধীরকে কোনও অংশেই 'কমরেড'-এর চেয়ে কম মনে হয়নি। বরং মনে হচ্ছিল তিনি যেন দীর্ঘদিন বাম আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত একজন নেতা!
এদিন নওশাদ সিদ্দিকী সাফ বলেন, "আমরা মুর্শিদাবাদটা কনসিডারের জায়গায় রাখছি। শ্রীরামপুরটা তুলে নিক বামেরা। সবটাই যদি আমাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দে!, আমরা ছোট দল, আমরা দুর্বল, আর লোড নিতে পারছি না।"
সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) গিয়ে আবার পুলিশের বাধার সুম্মুখীন হলেন বাম (CPIM) নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। পুলিশের সঙ্গে তীব্র বচসা শুরু হয় তাঁর। এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকায় সন্দেশখালিতে প্রবেশ করা যাবে না বলে জানায় পুলিশ।
তারপরে বাম শিবির থেকেও সেই কটাক্ষের পাল্টা দেওয়া হয়েছে। আর এরই প্রেক্ষাপটে নতুন করে সিপিএমের রাজ্যসম্পাদকের এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
তৃণমূলনেত্রীর অভিযোগ ছিল, “জোটের বৈঠক হয় সিপিআইএম নেতাদের নেতৃত্বে। যে সিপিআইএমের বিরুদ্ধে ৩৪ বছর ধরে ল়ড়াই করলাম, তাঁদের পরামর্শ শোনা আমার পক্ষে সম্ভব নয়৷ প্রচুর অসম্মানিত হতে হয় আমাকে৷"