সামনেই লোকসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে দেশের সব রাজনৈতিক দল। আর এবার লোকসভা নির্বাচনে বিরোধীদের ভূমিকা সত্যি আছে ২৭ দল বিশিষ্ট ইন্ডিয়া জোট। যদিও এই জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকেই সন্ধিহান। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে এই জোটের রূপরেখা কি হবে তা নিয়ে বড় মুখ করে কোন আসার কথা শোনাতে পারছেন না রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন:ফের চোট পেলেন মুখ্যমন্ত্রী, বর্ধমান থেকে সড়কপথে ফেরার সময় কপালে আঘাত



আর তার প্রধান কারণ হলো শাসক তৃণমূল এবং জোট করা নিয়ে রাজ্য বামফ্রন্টের অনীহা। অপরদিকে বারবার ঢোক গিলছেন কংগ্রেসের নেতা ও রাজ্য সভাপতি অধীর চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury
)। সবমিলিয়ে বঙ্গ রাজনীতিতে ইন্ডিয়া জোটের অবস্থা একটা ভালো নয়। এসবের মধ্যেই কয়েকদিন আগেই শাসক দলের সঙ্গে আজব রাখার কারণে সিপিআইএম (CPIM) থেকে বহিষ্কৃত হয়েছে ছাত্র সংগঠনের নেতা কোচবিহারের এসএফআই এর প্রাক্তন সভাপতি কৌশিক ঘোষ।
আর এবার প্রকাশ্য জনসভায় তৃণমূলের বিরোধিতা করে বসলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম (Md. Selim)। সেলিম এদিন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন দলের কেউ যদি তৃণমূলের (TMC) সঙ্গে যোগাযোগ রাখে তাহলে আমরা তাকে বহিষ্কার করব। তার এই মন্তব্যের পরেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা।



সেলিমের এই বক্তব্যের পরেই প্রশ্ন উঠেছে গত ২৩ শে জানুয়ারি মালদায় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে একটি অনুষ্ঠানে একই সাথে দেখা যায় সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীকে (Krishnandu Narayan Chowdhury)। এই প্রসঙ্গে সেলিম তথা সিপিআইএমের বক্তব্য। ওটা ছিল পৌরসভার অনুষ্ঠান।
তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ? দলের নেতাদের বহিষ্কারের হুমকি সেলিমের

আর নেতাজিকে নিয়ে কোন রাজনীতি নয়। কিছুদিন আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক জনসভায় সিপিএমকে কটাক্ষ করে মন্তব্য করেছিলেন। তারপরে বাম শিবির থেকেও সেই কটাক্ষের পাল্টা দেওয়া হয়েছে। আর এরই প্রেক্ষাপটে নতুন করে সিপিএমের রাজ্যসম্পাদকের এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।








