শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার বেসরকারি ডিএলএড কলেজগুলির কর্তৃপক্ষদের এবার তলব করল ইডি। মঙ্গলবার সিজিও কমপ্লেক্সে সমস্ত তথ্য ও নথি নিয়ে উপস্থিত হন একাধিক ডিএলএড কলেজের কর্তৃপক্ষ। নিয়োগ দুর্নীতিতে কলেজগুলির ভূমিকা কি ছিল? সবটা খতিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ফের আদালতে পেশ করা হয়েছিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে। বৃহস্পতিবার মানিক সম্পর্কে আরও চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করল ইডি। শুধুমাত্র তাপস মণ্ডলের কাছ থেকে নয়, মনীষীদের নামে যে সমস্ত ডিএলএড কলেজ রয়েছে, সেখান থেকেও টাকা নেওয়া হত বলে জানিয়েছে ইডি।
প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিকের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হতেই তাপস মণ্ডলকে তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেখানেই টাকার লেনদেন সম্পর্কে হিসেব দিয়েছিলেন ইডিকে। এর সঙ্গে কারা যুক্ত? তা জানতেই তাপস মণ্ডলের ২ হিসেবরক্ষককে তলব করল ইডি। ১০ নভেম্বর দুই জনকেই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।
হতে পারে যারা হেফাজতে রয়েছে, তাঁদের থেকেও বেশী গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নাম কিন্তু উঠে আসতে পারে। অভিযোগের অভিমূখ কোন দিকে যাচ্ছে? সেখানে কী প্রভাবশালী কোনও ব্যক্তির যোগ দেখা যাচ্ছে? এই ধরনের প্রশ্ন এদিন তোলেন বিচারপতি।
নিয়োগ দুর্নীতিতে তদন্তে নেমে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করেছে ইডি। পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির খোঁজ পেতেই এবার কর্মরত শিক্ষকদের ওপর নজর পড়ল সিবিআইয়ের। প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি পাওয়া দুই কর্মরত শিক্ষকদের নিয়োগপত্র চেয়ে পাঠাল সিবিআই।