নজরবন্দি ব্যুরোঃ গতকালের পর আজ ফের ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল। ইডির দফতরে ঢোকার মুখে ফের বিস্ফোরক মন্তব্য তাপসের। এবার শুধুমাত্র মানিক নয়, জড়িয়ে ফেললেন পর্ষদকেও।
আরও পড়ুনঃ TET Scam: কর্মরত শিক্ষকদের নিয়োগপত্র চেয়ে পাঠাল সিবিআই, দুর্নীতি শিকড়ে পৌঁছানোর চেষ্টা
এদিন ইডির দফতরে প্রবেশের সময় মানিক ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ তাপস বলেন, গতকালই আমায় ১ থেকে ২ ঘন্টা থাকতে বলা হয়েছিল। কিন্তু আমি সুগারের রুগী বলে ফের সময় চেয়ে নিয়েছিলাম। হিসেব কাল যা দেওয়ার দিয়েছি বলেও দাবি করেন তিনি। এরপরেই তাপসকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ২১ কোটি টাকা কে নিতেন?

জবাবে তাপস বলেন, এটা আমাদের অফলাইনের যে লেট ফাইন, সেটা বলে দিয়েছিলাম। এটা মানিকই বলতে পারবেন কী হয়েছে না হয়েছে। সেই পরিমাণটা ২০ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা হতে পারে। এটা সরাসরি বোর্ডেই যেত। কারণ আমার অফিস থেকে বোর্ডেই ডিসপ্যাচ হত টাকাটা। ইলিগ্যাল ফিজ নয়। ৩০০ টাকা অফলাইন ফিজ়, তার সঙ্গে ৪৭০০ টাকা যোগ হয়েছে।
তাপসের বক্তব্য, এটা বেআইনি নয়, এই আইন করে বোর্ড। কলেজ ছাত্রছাত্রীদের এত সমাধান হয়েছে। তাপসের চুক্তি হয়েছিল এডুক্লাসেসের সঙ্গে। অনিয়ম হয়ে থাকলে সেটা বোর্ড বলবে। একইসঙ্গে তাঁর দাবি, পর্ষদের সভাপতি হিসাবে মানিক যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিয়েছে।
বিস্ফোরক মন্তব্য তাপসের, জড়িয়ে গেল বোর্ড!

গতকাল ইডির দফতরে হাজিরা দিতে এসে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন মানিক ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল। তাঁর বক্তব্য, আমাদের অফলাইনে যেগুলো বলেছিলাম, সেগুলো চেয়েছে, সেগুলোই দিতে যাচ্ছি। আমরা বলেছি অফিস থেকেই টাকা যেত মানিকের কাছে। মহিষবাথানের অফিসে টাকা নিতে লোক পাঠাতেন মানিক। তাপস মণ্ডলের বক্তব্য ঘিরে জল্পনা। এখন আবার পর্ষদের দিকে বল ঠেলে দিতেই নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।



