প্রাথমিক শিক্ষক পর্ষদের সভাপতি পদ থেকে অপসারণের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু ইডির গ্রেফতারি থেকে মুক্তি পেলেন না তৃণমূলের বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য। সিবিআইয়ের গ্রেফতারি থেকে রক্ষাকবচ পেলেও ইদির হেফাজতে থাকতে হবে মানিককে। যার ফলে সুপ্রিম ধাক্কা তৃণমূল বিধায়ক মানিকের।
মানিক ভট্টাচার্যকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষক পদে কর্মরত ২৬৯ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশেও স্থগিতাদেশ দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে সমালোচনা করে স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।
বিপুল পরিমাণে টাকা জমা পড়েছে মানিকের পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টে। টেট দুর্নীতিতে জড়িত মানিক ভট্টাচার্য অন্যতম কিংপিন। এমনকি টাকার বিনিময়ে স্কুলে চাকরির প্রস্তাব দিতে মানিক ভট্টাচার্যই। সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে এমনটাই জানাল ইডি।
এদিন পর্ষদের সভাপতি বলেন, টেট পাশ করা মানে চাকরি নয়। ২০১৪ এবং ২০১৭ সালে পাশ করেছি বলে চাকরি দিতে হবে, এটা নিয়ম নয়। টেট হল যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষা। এক বার দুর্নীতি হয়েছে বলে আর ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করবেন না, এমনটা যেন না হয়। এমনকি গৌতম বাবুর সাফ বক্তব্য, কাজের পর কোনও সন্দেহ দেখা দিলে তদন্তের মুখোমুখি হতে রাজি রয়েছেন তিনি।
দীর্ঘ ১০ ঘন্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পরেই গ্রেফতার হয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। আজই তাঁকে আদালতে পেশ করে হেফাজতে নিতে চায় ইডি। দূর্গাপুজোর পরেই গ্রেফতার মানিক। তবে মানিকের গ্রেফতারিতে কিছুটা হলেও খুশির খবর রেড রোডের চাকরি প্রার্থীদের জন্য। দূর্গা প্রতীমার প্রতিক সেজে প্রতিবাদ দেখালেন চাকরি প্রার্থীরা।
আজই আদালতে পেশ করা হয় তাঁকে। মানিক আদালতে ঢুকতেই চোর স্লোগান দিতে শুরু করে কিছু বিজেপি সমর্থক। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ছিলেন বিজেপি নেতা ও বিজেপি সমর্থকরা। এমনকি তৃণমূল বিধায়ককে উদ্দেশ্য করে জুতো দেখান বিজেপি সমর্থকরা।