নজরবন্দি ব্যুরোঃ দীর্ঘ ১০ ঘন্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পরেই গ্রেফতার হয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। আজই তাঁকে আদালতে পেশ করে হেফাজতে নিতে চায় ইডি। দূর্গাপুজোর পরেই গ্রেফতার মানিক। তবে মানিকের গ্রেফতারিতে কিছুটা হলেও খুশির খবর রেড রোডের চাকরি প্রার্থীদের জন্য। দূর্গা প্রতীমার প্রতিক সেজে প্রতিবাদ দেখালেন চাকরি প্রার্থীরা।
আরও পড়ুনঃ Manik Bhattacharya: মানিক আদালতে ঢুকতেই চোর স্লোগান, দৌড়ে ঢুকলেন আদালতে
এই নিয়ে রেড রোডে ৫৬ দিন ধরে আন্দোলন জারি রেখেছেন চাকরি প্রার্থীরা। কখনও লক্ষ্মী সেজে প্রতীকী আন্দোলনে শামিল হয়েছেন তাঁরা। আবার কখনও সাজলেন দূর্গা। আবার কেউ সাজলেন ইডি। হবু শিক্ষকদের প্রতিবাদের এই রূপ নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য ছিল, মানিক ভট্টাচার্য বলেছিলেন, দুর্নীতি প্রমাণ হলে সকলকে ডেকে চাকরি দেবেন। আদালতের কাছে সবটা প্রমাণ হয়ে গেছে। কোথাও নম্বর বাড়িয়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে। আবার কোথাও সাদা খাতার বিনিময়ে চাকরি হয়েছে। মোটা টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রি হওয়ায় বঞ্চিত হয়েছেন যোগ্য চাকরি প্রার্থীরা।
তাঁদের বক্তব্য, মানিক ভট্টাচার্য গ্রেফতার হলেও আমরা যেখানে ছিলাম সেখানেই রয়েছি। এখন দ্রুত নিয়োগের দাবি তুলছেন তাঁরা। নিয়োগ না হওয়া অবধি বিরাট আন্দোলনের হুঁশিয়ারি চাকরি প্রার্থীদের। এর জন্য মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, মানিকবাবুই তো এতদিন বলে আসছিলেন যোগ্যতা, মেধার ভিত্তিতে চাকরি হয়েছে। আজকে উনিও ওনার যথাযত যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে গ্রেফতার হয়েছেন।

মানিক ভট্টাচার্যের আমলেই নিয়োগের ক্ষেত্রে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি হয়েছে। তাই জন্য তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের কাছ থেকে তথ্য চেয়েছিল ইডি। কিন্তু সেই তথ্যে গরমিল থাকায় গতকাল তলব করা হয় তাঁকে। এরপর রাতভর জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় তৃণমূল বিধায়ককে।
দূর্গাপুজোর পরেই গ্রেফতার মানিক, প্রতিবাদে নজির গড়লেন চাকরি প্রার্থীরা

চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য, প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে চুড়ান্ত দুর্নীতির কারণে দুই বার তাঁদেরকে পরীক্ষা দিতে যেতে হয়েছে। পরে দুই বার ইন্টারভিউ দিতে যান তাঁরা। কিন্তু সরকার অযোগ্যদের চাকরি দেওয়ার কারণে বাদ পড়েছেন তাঁরা।



