নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি রাজ্যজুড়ে পাহাড় গড়েছে। সম্প্রতি তৃণমূলের বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করেছে ইডি। ক্রমাগত পেঁয়াজের খোসার মতো দুর্নীতির পর্দাফাঁস হতে শুরু করেছে। এবার তা নিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। বাড়ির কাছে থাকলেও মানিকের কার্যকলাপ ছিল অজানা। দমদমের তৃণমূল সাংসদের এহেন মন্তব্য রাজনীতিতে জল্পনা বাড়িয়েছে।


প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির তরফে তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। ইডির নজরে মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল। গতকাল তাঁর একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি অভিযান চালানোর পর ২০ সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছে। দুর্নীতিতে একের পর এক নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠতেই বিরোধীদের বক্তব্যকে প্রতিহত করার চেষ্টা করছে শাসক দল।

এবিষয়ে বলতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ বলেন, আমি বার বার বলেছি, কাউকে ইডি বা সিবিআই ধরল মানেই তো তিনি দোষী প্রমাণিত নন। সেটি আদালতে হবে। তাই মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ করে, সিবিআই-ইডি যা বলছে, সেটিই অভ্রান্ত সত্য বলে মেনে নেওয়া উচিত নয়। আপনারা যদি সিবিআই বা ইডির চার্জশিট থেকে উল্লেখ করতেন তাহলেও হত। কিন্তু সিবিআই-ইডি খবর লিক করছে।
অথচ নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে লাগাতার অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। আগেই দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে মানিক ভট্টাচার্যকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি পদ থেকে অপসারিত করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রায় এক দশক ধরে সভাপতি আসনে বসে দুর্নীতির পাহাড় গড়েছেন মানিক। সিবিআইয়ের রিপোর্ট দেখে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।


বাড়ির কাছে থাকলেও মানিকের কার্যকলাপ অজানা, সৌগতর বক্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য

যদিও দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর থেকেই প্রতিহত করার চেষ্টা করছিলেন তৃণমূলের নেতারা। সম্প্রতি একাধিক নেতাদের মন্তব্যতেও তা স্পষ্ট হয়ে গেছে। তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, আগামী দিনে আরও কয়েকজন তৃণমূল নেতাদের নাম জড়াতে পারে। ফলত আগামী দিনে শাসক দলকে আরও প্রশ্নের সম্মুখীন হতে পারে।








