নজরবন্দি ব্যুরোঃ দুর্নীতির অভিযোগে প্রতিদিনই জেলায় জেলায় দলের নেতাদের নাম জড়াতে শুরু করেছে। এই আবহে দলের কর্মীদের সত্তরক করলেন বারাসাতের তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। কে সাদা কে কালো? কারা লোভ নিয়ে কাজ করছেন? সবটা দেখতে পাচ্ছেন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।


এদিন বারাসাতের বামনগাছিতে তৃণমূলের তরফে বিজয়া সম্মীলনীর আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দলে যাঁরা নীতি মেনে চলছেন না, তাঁদের উপর নজর রাখছেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। একেবারে বার্ডস আই ভিউ। সমস্ত খুঁত, সমস্ত বিচারধারা, লোভ ধরা পড়ে যাচ্ছে। তাঁরাই সিদ্ধান্ত নেবেন কে সাদা, আর কে কালো।

দলেরই নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, রাজা আর নীতি, এই নিয়ে রাজনীতি। এর মধ্যে বহু মানুষ নীতি মেনে চলছেন না। কিন্তু রাজা হওয়ার শখটাও ছাড়ছেন না। সবাই রাজা হতে চাইছেন, কিন্তু নীতি মানছেন না। উপর থেকে যাঁদের দেখার, তাঁরা দেখছেন। নাম না করে খাদ্য মন্ত্রী রথীন ঘোষের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন তৃণমূল এবিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
কিছুদিন আগেই দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেন খাদ্য মন্ত্রী রথীন ঘোষ। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় দেখা যায়, যাঁরা মহিলা সদস্যা হন, দেখা যায় তাঁদের স্বামী বা ভাইয়েরা মাতব্বরী করছে। তাহলে তিনি কী কারণে সদস্যা হলেন? এগুলো প্রশ্রয় দেবেন না। তাঁকে উদ্দেশ্য করেই যে তৃণমূল বিধায়ক একথা বললেন তা একেবারে স্পষ্ট।


সবাই রাজা হতে চাইছেন, কিন্তু নীতি মানছেন না, জানালেন চিরঞ্জিত

একা চিরঞ্জিৎ দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হলেন না। সরব হয়েছেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংও। তিনি বলেন, ২ জন চুরি করছে ৯৮ শতাংশের ওপর প্রশ্ন লেগে যাচ্ছে। এরা সব চোর। সেই ২ জনকে চিহ্নিত করতে হবে৷ মানুষ কিন্তু নজর রাখছে। এমনিতেই এর জন্য অনেক প্রশ্ন ট্রেনে বাসে শুনতে হচ্ছে। এখন এই প্রশ্নের জন্য মানুষ একটু খারাপ নজরে দেখছে৷ আমাদের শুধরে নিতে হবে৷ এখন আবার চিরঞ্জিতের মন্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে।








