নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তে নেমে বিপুল অঙ্কের টাকার লেনদেনের হদিশ পেয়েছে ইডি। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিকের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হতেই তাপস মণ্ডলকে তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেখানেই টাকার লেনদেন সম্পর্কে হিসেব দিয়েছিলেন ইডিকে। এর সঙ্গে কারা যুক্ত? তা জানতেই তাপস মণ্ডলের ২ হিসেবরক্ষককে তলব করল ইডি। ১০ নভেম্বর দুই জনকেই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে এসে তাপস মণ্ডল বলেন, এটা আমাদের অফলাইনের যে লেট ফাইন, সেটা বলে দিয়েছিলাম। এটা মানিকই বলতে পারবেন কী হয়েছে না হয়েছে। সেই পরিমাণটা ২০ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা হতে পারে। এটা সরাসরি বোর্ডেই যেত। কারণ আমার অফিস থেকে বোর্ডেই ডিসপ্যাচ হত টাকাটা। ইলিগ্যাল ফিজ নয়। ৩০০ টাকা অফলাইন ফিজ়, তার সঙ্গে ৪৭০০ টাকা যোগ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এটা বেআইনি নয়, এই আইন করে বোর্ড। কলেজ ছাত্রছাত্রীদের এত সমাধান হয়েছে। তাপসের চুক্তি হয়েছিল এডুক্লাসেসের সঙ্গে। অনিয়ম হয়ে থাকলে সেটা বোর্ড বলবে। একইসঙ্গে তাঁর দাবি, পর্ষদের সভাপতি হিসাবে মানিক যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিয়েছে।
যদিও তার আগে তাপস সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, আমাদের অফলাইনে যেগুলো বলেছিলাম, সেগুলো চেয়েছে, সেগুলোই দিতে যাচ্ছি। আমরা বলেছি অফিস থেকেই টাকা যেত মানিকের কাছে। মহিষবাথানের অফিসে টাকা নিতে লোক পাঠাতেন মানিক। তাপস মণ্ডলের বক্তব্য ঘিরে জল্পনা।
হিসেব দিয়েছিলেন ইডিকে, তাপসের হিসেব চাইল তদন্তকারী সংস্থা

ইডি সূত্রে খবর, অফলাইনে ভর্তির জন্য মাথাপিছু ৫ হাজার টাকা করে নেওয়া হত। প্রায় ২০১৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ২১ কোটি টাকা তোলা হয়েছিল। সেই টাকার হদিশ পেতেই এখন দুই জনকে তলব করা হয়েছে।



