Justice Avijit Ganguly: ঠিকমতো কাজ করছে না, সিবিআইয়ের সিটে বদল আনতে চান বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রাথমিকের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত করছে সিবিআইয়ের সিট। আদালতের নির্দেশে তৈরি হওয়া সিটের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ক্যেকজন সদস্য ঠিকমতো কাজ করছে না বলেই সোমবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণে উঠে এল। তবে কী সিটের সদস্য পদে এবার বদল আসতে চলেছে? দুপুর আড়াইটে নাগাদ এই মামলার শুনানি। সেখানেই স্পষ্ট হবে বিষয়টি।

আরও পড়ুনঃ EWS Reservation: আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়াদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ, ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট

চলতি বছরেই নিয়োগ দুর্নীতির একাধিক মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তের জন্য সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে সীত তদন্ত করবে। একথা আগেই জানিয়েছিলেন বিচারপতি। এমনকি নিয়ম অনুযায়ী আদালতের কাছে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে অবগত করবে। এমনকি কোর্টের অনুমতি ছাড়া সিটের সদস্যদের বদলি করা যাবে না বলেও স্পষ্ট করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

ঠিকমতো কাজ করছে না, সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিচারপতির
ঠিকমতো কাজ করছে না, সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিচারপতির

আদালতের নির্দেশে ছয় সদস্যের সিবিআইয়ের টিম প্রাথমিক শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শুরু করেছিল। এই ধরনের টিমে থাকা সদস্যরা শিক্ষক নিয়োগ মামলা ছাড়া অন্য কোনও মামলার সঙ্গে যুক্ত হবেন না। এমনকি এসআইটির সদস্যদের কোনও ভাবেই বদলি করা চলবে না। সিবিআইয়ের সিটে ছিলেন, এসপি ধরমবীর সিংহ, ডিএসপি সত্যেন্দ্র সিংহ, ডিএসপি কেসি ঋষিনামূল, ইন্সপেক্টর সোমনাথ বিশ্বাস, ইন্সপেক্টর মলয় দাস এবং ইন্সপেক্টর ইমরান আশিক। এদের মধ্যে কয়েকজনের কার্যকলাপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

ঠিকমতো কাজ করছে না, সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিচারপতির

ঠিকমতো কাজ করছে না, সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিচারপতির
ঠিকমতো কাজ করছে না, সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিচারপতির

 

অন্যদিকে, প্রাথমিক শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেল হেফাজতে রয়েছেন মানিক ভট্টাচার্য। মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। এবার তাঁর দুই হিসেবরক্ষককে তলব করা হয়েছে। যদিও তাপসের বক্তব্য ফলাইনে ভর্তির বাড়তি ৫ হাজার টাকা করে নিত মানিক। সেজন্য মানিক তাঁর মহিষবাথানের অফিসে লোক পাঠাত বলেও জানিয়েছেন তিনি। এখন দুই হিসেবরক্ষকের থেকে কোনও তথ্য ইডি পায় কি না এখন সেটাই দেখার।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন