কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। সাংসদের অভিযোগ, তাঁর আইফোন হ্যাক করতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। আর সেই কারণেই অ্যাপ্ল সংস্থা থেকে একাধিকবার সতর্কবার্তা পাঠানো হচ্ছে তৃণমূল সাংসদকে। এপ্রসঙ্গে প্রমাণ স্বরূপ অ্যাপ্লের মেসেজ এবং ইমেলের স্ক্রিনশট সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন তিনি।
ক্রমশ সাঁড়াশি চাপে পড়ছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এহেন মুহূর্তে তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের তদন্তে আজ, বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসছে লোকসভার এথিক্স কমিটি। আর সেই বৈঠকেই মূল দুই অভিযোগকারী বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এবং মহুয়ারই প্রাক্তন বন্ধু আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাইদ্রইকে ডেকে পাঠিয়েছিল কমিটি। শুধু তাই নয়, এদিন বিজেপি সাংসদ ও প্রাক্তন প্রেমিকের বয়ান রেকর্ড করে এথিক্স কমিটি।
দুবাইস্থিত মুম্বইয়ের শিল্পপতি দর্শন হীরানন্দানি হলফনামা দিয়ে দাবি করেছিলেন যে, মহুয়া অনায্য ভাবে সুযোগ নিচ্ছেন। আর দুবাইস্থিত মুম্বইয়ের শিল্পপতির এহেন মন্তব্যের পরেই সারা দেশ আলোড়ন ছড়িয়ে পরে। কিন্তু হীরানন্দানির এই হলফনামার পাল্টা জবাব দিয়েছেন মহুয়া। সাংসদের দাবি, দর্শন হীরানন্দানি যে হলফনামা প্রকাশ করেছেন তা প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের লিখে দেওয়া। তাঁকে বাধ্য করা হয়েছে ওই হলফনামার সই করতে।" শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা।
দুবাইস্থিত মুম্বইয়ের শিল্পপতি দর্শন হীরানন্দানি বৃহস্পতিবার রাতে হলফনামা দিয়ে দাবি করেছেন, মহুয়া অনায্য ভাবে সুযোগ নিচ্ছেন। শুধু তাই নয়, মহুয়ার আবদারে তাঁকে দামি দাবি উপহার, বিদেশে বেড়ানোর খরচ, দিল্লির বাংলো সারানোর ব্যবস্থাও দিয়েছেন মুম্বইয়ের শিল্পপতি দর্শন হীরানন্দানি। আর হীরানন্দানির এই হলফনামা জমা দেওয়ার পর থেকে দেশজুড়ে তৃণমূল সাংসদকে নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছিল। এরপরেই ষষ্ঠীর দিনে প্রসঙ্গে মুখ খুললেন স্বয়ং সাংসদ মহুয়া মৈত্র। বললেন, "সিবিআই যদি ডাকে তাহলে যাব, তাছাড়া আমার মাথা ঘামানোর কোনও আগ্রহ নেই।"
মহুয়া মৈত্র বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল তৃণমূল। দুবাইস্থিত মুম্বইয়ের শিল্পপতি দর্শন হীরানন্দানি বৃহস্পতিবার রাতে হলফনামা দিয়ে দাবি করেছেন, মহুয়া অনায্য ভাবে সুযোগ নিচ্ছেন। শুধু তাই নয়, মহুয়ার আবদারে তাঁকে দামি দাবি উপহার, বিদেশে বেড়ানোর খরচ, দিল্লির বাংলো সারানোর ব্যবস্থাও দিয়েছেন মুম্বইয়ের শিল্পপতি দর্শন হীরানন্দানি।
সকাল থেকে দক্ষিণী রাজ্য কর্ণাটকে চলছে ভোটের লড়াই! শনিবার একদিকে নির্বাচনের প্রাথমিক গণনায় ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়ে ফেলেছে কংগ্রেস। অন্যদিকে কর্ণাটকে শাসকদল বিজেপি অনেকটাই পিছিয়ে। অবশেষে বলা যায়, সমীক্ষার আভাসকেই সত্যি করে ১৩ মে কংগ্রেসের পক্ষেই রায় দিল জনগণ। বাড়বেলা গড়াতেই বিজেপির হার নিশ্চিত হতে থাকে। আর দক্ষিণী এই রাজ্যের ভোটের ফলাফল ঘিরে উত্তেজনা সারা দেশে। বাদ পরেনি বাংলাও।
লাগাতার ভিডিও ও ছবি প্রকাশ করে সরকার ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা। এমনকি হাওড়ার হিন্দুদের পরিস্থিতিকে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের সঙ্গে তুলনা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার সেই ঘটনা নিয়ে বিজেপি তীর্যক ভাষায় আক্রমণ করতে গিয়ে হাওড়ার ঘটনায় হিন্দুদের বিপন্নতার কথা তুলে ধরলেন মহুয়া মৈত্র।