নজরবন্দি ব্যুরো: সকাল থেকে দক্ষিণী রাজ্য কর্ণাটকে চলছে ভোটের লড়াই! শনিবার একদিকে নির্বাচনের প্রাথমিক গণনায় ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়ে ফেলেছে কংগ্রেস। অন্যদিকে কর্ণাটকে শাসকদল বিজেপি অনেকটাই পিছিয়ে। অবশেষে বলা যায়, সমীক্ষার আভাসকেই সত্যি করে ১৩ মে কংগ্রেসের পক্ষেই রায় দিল জনগণ। বাড়বেলা গড়াতেই বিজেপির হার নিশ্চিত হতে থাকে। আর দক্ষিণী এই রাজ্যের ভোটের ফলাফল ঘিরে উত্তেজনা সারা দেশে। বাদ পরেনি বাংলাও।
আরও পড়ুন: Dilip Ghosh: পশ্চিমবাংলার শিক্ষা ব্যবস্থা এখন মাছের বাজার! তৃণমূলকে খোঁচা দিলীপের


বাংলার রাজনৈতিক মহলেও বেশ উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বাংলার শাসকদলের নেতা-নেত্রীরা কর্ণাটক নিয়ে বিজেপিকে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না। চারিদিক থেকে ভোট ঘিরে প্রতিক্রিয়া আসছে! এহেন পরিস্থিতিতে কর্ণাটক ভোট প্রসঙ্গে খোঁচার সুরে ট্যুইট করলেন তৃণমূলের কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এদিন ট্যুইটে বিজেপি আর কংগ্রেসকে বজরংবলী ও এলপিজি গ্যাসের সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। কটাক্ষ করে মহুয়া লেখেন, “ধন্যবাদ কর্ণাটক! বজরংবলীকে ছাপিয়ে এলপিজিকে বেছে নেওয়ার জন্য।”
Thank you Karnataka . For choosing LPG over Bajrangbaliji.
— Mahua Moitra (@MahuaMoitra) May 13, 2023

উল্লেখ্য, কর্ণাটকে ২২৪টি আসনে চলছে ভোটগণনা। ৩৬টি গণনা কেন্দ্রে ২ হাজার ৬১৫ প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে। আর ম্যাজিক ফিগার ১১৩। কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে কার পাল্লা ভারী? কে হাসবে শেষ হাসি। কুমারস্বামীর জেডিএস কি ফের ক্ষমতা নির্নায়কের ভূমিকায়? তবে এই মুহূর্তে এখনও পর্যন্ত, কর্নাটকে বিজেপিকে পিছনে ফেলে অনেকটা এগিয়ে গেল কংগ্রেস। ১৩৬ টি আসনে এগিয়ে কংগ্রেস। বিজেপি এগিয়ে ৬৫ টি আসনে। মোট ২২৪ আসনের কর্নাটক বিধানসভায় ক্ষমতায় আসতে দরকার ১১৩ টি আসন। কংগ্রেস ইতিমধ্যেই ১৩৬ টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। সেক্ষেত্রে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ১১৩ টি আসনের থেকে ২৩ টি অতিরিক্ত আসনে লিড করছে রাহুল গান্ধীর দল।

এদিকে, এদিন সকালে কর্ণাটক বিধানসভার ভোট গণনা চলাকালীন তাৎপর্যপূর্ণ ট্যুইট করেন কুণাল ঘোষ। তৃণমূলের মুখ্যপাত্র কুণাল ঘোষ শনিবার ট্যুইট করে লেখেন, “নো ভোট টু বিজেপি স্লোগান কাজ করছে। বিজেপি বিরোধীরা যেখানে শক্তিশালী, তাদের সামনে রেখে বিকল্প জোট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ফর্মুলার প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণিত হচ্ছে। বেরোচ্ছে কর্নাটকের ফল। সেখানে পিছিয়ে বিজেপি। আর এগিয়ে কংগ্রেস। লড়ছে জে ডি এস। আর বাংলার টিভি চ্যানেল এই আলোচনার সকালেও ব্যস্ত তৃণমূলবিরোধী কুৎসায়। কমপিটিটিভ নেগেটিভিজমের লড়াই। বলি, দর্শক পছন্দ করছেন তো? আবার ঘুরতে হবে কিন্তু!”
ধন্যবাদ কর্ণাটক, বিজেপিকে ট্যুইটে খোঁচা দিতে ছাড়লেন না সাংসদ মহুয়া










